চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনে ‘মোমবাতি’ প্রতীকের প্রার্থী, কর্মী ও সমর্থকদের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব অধ্যক্ষ স উ ম আবদুস সামাদ। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় হুমকিদাতাদের বিরূদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সব ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
চট্টগ্রামে নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নগরীর চেরাগী পাহাড়ের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের দলীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মহাসচিব বলেন, তাদের প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় গণমানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও জনসমর্থন দেখে প্রতিদ্বন্দ্বী কতিপয় প্রার্থী সমাজে বিদ্বেষ ও হিংসা ছড়াচ্ছে। গত সোমবার রাঙ্গুনিয়ায় মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইকবাল হাসানের ওপর প্রকাশ্যে হামলা করে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে, রাউজানের প্রার্থী মাওলানা ইলিয়াস নুরীর নির্বাচনী প্রচারণায় কয়েক দফা হামলা হয়েছে, চন্দনাইশে মাওলানা সোলায়মান ফারুকীর সমর্থক, ইসলামী ফ্রন্ট ও ছাত্র সেনার কর্মী এমনকি ভোটারদেরও মোমবাতিতে ভোট দিলে দেখে নেবে বলে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। একই অবস্থা আনোয়ারা ও কর্ণফুলীতে। রাউজান কদলপুর এলাকায় সন্ত্রাসীরা গুলি করে সাধারণ ভোটার ও সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মী পরিচয়ে অনেকে নির্বাচনের পরে দেখে নেওয়ারও হুমকি দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের হুমকি, পক্ষান্তরে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার শামিল। এ জাতীয় কর্মকাণ্ড নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আমরা হুমকিদাতাদের ব্যাপারে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ভোটারদের কুচক্রী মহলের যেকোনো ষড়যন্ত্র, উসকানি ও হুমকিকে প্রশ্রয় না দিয়ে ভোটকেন্দ্র গিয়ে মোমবাতি প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা এনামুল হক সিদ্দিকী, নাসিরুদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক ইউনুস তৈয়বী, এম মহিউল আলম চৌধুরী, মাওলানা আবদুন্নবী আলকাদেরী, নুরে রায়হান চৌধুরী, ছাত্রনেতা ফরহাদুল ইসলাম, আরমান, আলম রেজা, আবরার সমরকন্দি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
