টাঙ্গাইলের সখীপুরে নানিকে হাতুড়ি ও দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে নাতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র আট ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে আটক করা হয়। নিহত বেদেনা কোচ (৬৫) উপজেলার কালিদাস পানাউল্লাহ পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও পরেশ চন্দ্র কোচের স্ত্রী। গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নিহতের নাতি নয়ন কোচ (১৮) সেদিন বিকেলে নানির কাছে পাঁচ হাজার টাকা ধার চান। টাকা না দেওয়ায় তাদের মধ্যে বাগবিত-া হয়। এরপর রাতে সুযোগ বুঝে নয়ন নানির বাড়িতে অবস্থান নেন।
রাত ৯টার দিকে নিহত বেদেনা কোচের স্বামী বাজারে গেলে বাড়িতে একা পেয়ে বেদেনার নাতি নয়ন প্রথমে হাতুড়ি দিয়ে নানির মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত দা ও হাতুড়ি ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পরেশ চন্দ্র কোচ বাড়ি ফিরে স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযান শুরু করে।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নয়ন কোচকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জেলখানা মোড় এলাকায় কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন।
সখীপুর থানার এসআই মোশাররফ হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় পরেশ চন্দ্র কোচ বাদী হয়ে নয়ন কোচকে একমাত্র আসামি করে গতকাল হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সখীপুর থানার ওসি হেলাল উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
