সতেরো কিংবা সত্তর
আমি তুমি একটি বৃত্তে বসবাস করি।
যে বৃত্তে নীল রঙ খুব কড়াভাবে আত্ম দায়িত্বে মগ্ন...
কালো রঙের অভিমান খেলা করে চড়ুই পাখির গল্পে,
তোমার ভাবনাতে জ্বলতে থাকা এই আমি আবিষ্কার করি প্রেম!
ঠোঁট সে তো গোলাপের তিন রূপে জ্যামিতি আঁকে।
সতেরো কিংবা সত্তর বয়স বাক-বাকুম করে সুখ ধরে,
হঠাৎ একদিন বলবে, ভালোবাসার টগবগ আন্দোলনে ‘তুমিই সেরা’
সেই দিনটার জন্য পঞ্জিকার তারিখ পকেটে নিয়ে ঘুরি...
ওহে তুমি স্বচ্ছ, তুমিই শুদ্ধ!
তুমিই ক্ষমতা রাখো পুরনো প্রাচীর ভেঙে সাতান্নটি রাজ্য গড়তে।
আমি তো মৃতই
মরবো কেন? মরার কি আছে?
আমি তো মৃতই!
সিলিং ফ্যান দেখতে পাই আকাশে,
দেয়ালে পূর্ণ রঙ বেরং মুখোশে,
হ্যাঁ আমি পাগল কিন্তু মাতলামি করি।
ঘড়ি নেই, বেলা কাটে আমার ঘণ্টাতে বত্রিশ,
নিকোটিন আগুনে পুড়ে, আমি জলে!
আত্মার শুদ্ধতা নিলামে দিয়েছি গোলাপের দামে,
প্রেম বলতে আমি কাঠ পোকার কুট কুট শব্দ বুঝি।
আমি কোথাও নেই তবু নিজেরে খুঁজি,
দম নিলে বাঁচা বলে তাই বাঁচি!
দেয়াল যখন মানুষ
দেয়াল যখন মানুষ, দম ফুরানোর ভয় নেই!
আত্মা দেহে ফুকিয়ে চামড়া পিষে ফেলে কোন সে শকুন,
গিলে খাওয়া চাঁদ দেয়ালের রঙ গুণে না...
মগজের হৃদপিণ্ড আছে জানা নেই কারও।
তুলোর ঘ্রাণ টিকটিকির সাদা রক্তে স্লোগান দেয়,
দেয়াল নিভিয়ে দেয় ঝুলে থাকা ছবির দরখাস্ত!
সোজা মেরুদণ্ড নিলামে তুলে না আত্মদেহ...
পূজো সুন্দরের করে সময় নষ্ট, মাটির ক্ষুধা তীব্র,
দেয়াল মাকড়সার জালে ঢেকে দেয় কলঙ্কের কালি!
মুক্ত আকাশে দেয়াল ভাসে, মৃত্যু ডুমুরের ফুল।
