সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সোমবার লা লিগায় গেতাফের কাছে ১-০ গোলে হেরে বড় ধাক্কা খেল রিয়াল মাদ্রিদ। দুদিন আগে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে রিয়ালের চেয়ে ৪ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েছিল বার্সেলোনা। গেতাফের বিপক্ষে জিতলে সেই ব্যবধান আবার ১ পয়েন্টে নামিয়ে আনতে পারত রিয়াল। কিন্তু সে লক্ষ্যে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে মাদ্রিদের ক্লাবটি। এখন শিরোপা-লড়াই থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ল তারা।
লা লিগায় বর্তমানে ২৬ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। এটি লিগে রিয়ালের টানা দ্বিতীয় হার। এর আগে ওসাসুনার বিপক্ষেও ২-১ গোলে হেরেছিল তারা। যার ফলে ২০২০ সালের পর প্রথমবারের মতো লিগে টানা দুই ম্যাচে হার দেখল রিয়াল। অন্যদিকে ২০০৮ সালের পর বার্নাব্যুতে এটি গেতাফের প্রথম জয়।
লিগে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ছাড়াই খেলতে হচ্ছে রিয়ালকে। হাঁটুর চোটের চিকিৎসার জন্য বর্তমানে ফ্রান্সে আছেন এমবাপ্পে। তাকে ছাড়া সর্বশেষ দুই ম্যাচের দুটিতেই হারল রিয়াল। আর এই দুই হার রিয়ালকে এখন বেশ চাপের মুখে ফেলেছে।
সোমবার রাতে বার্নাব্যুতে রিয়ালকে হতাশায় ভাসানোর নায়ক ছিলেন গেতাফের উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড মার্তিন সাত্রিয়ানো। ছন্নছাড়া রিয়ালের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে ৩৯ মিনিটে চোখ ধাঁধানো এক গোলে হেতাফেকে এগিয়ে দেন। এই গোলই শেষ পর্যন্ত গড়ে দেয় পার্থক্য।
আগামী শুক্রবার লিগে সেল্তা ভিগোর মাঠে খেলতে যাবে রিয়াল। এরপর চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটির মুখোমুখি হবে তারা। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচগুলোয় এমবাপ্পেকে দেখা যাবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। তবে হাল ছাড়তে নারাজ রিয়াল কোচ আরবেলোয়া, ‘এখানে কেউ হাল ছাড়ছে না। এটা রিয়াল মাদ্রিদ, শেষ ম্যাচ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ৪ পয়েন্টের ব্যবধান কাটিয়ে ওঠা সম্ভব, আমরা সে লড়াই করব।’
