প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির পর্ষদ ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সঙ্গে একীভূতকরণ প্রক্রিয়া অনুমোদন করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ প্রক্রিয়ায় অনাপত্তিপত্র দিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত শেয়ারহোল্ডার, ঋণদাতা ও অন্য অংশীজনের অনুমোদন নেওয়ার পাশাপাশি হাইকোর্টের চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে। এ একীভূতকরণ ওয়ালটন হাই-টেকের পণ্যসম্ভারকে শক্তিশালী করবে এবং অন্য প্রতিযোগীর তুলনায় এগিয়ে রাখবে।
পণ্যসঙ্গত, ওয়ালটন ডিজি-টেক দেশের সুপরিচিত তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি টানা আট বছরের বেশি সময় ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) তালিকা অনুযায়ী, ৩৬টি ব্র্যান্ডের অধীনে ১২৩টিরও বেশি হাই-টেক পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৯০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯ টাকা ১৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫৮ টাকা ৪১ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৭৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ওয়ালটন হাই-টেকের ইপিএস হয়েছে ৩৪ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৯৯ টাকা ৭৪ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৩৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১১ হাজার ৩৭৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৩ কোটি ৩২ লাখ ২১ হাজার ১৭৭। এর ৬৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৮৩, বিদেশি বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।