দুমকি-বাউফল-দশমিনা সড়কে তীব্র যানজট, ঈদযাত্রায় ভোগান্তি

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

পটুয়াখালীর দুমকি-বাউফল ও দশমিনা সওজ সড়কে তীব্র যানজটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ঈদে ঘরমূখো যাত্রীসাধারণ। বিশেষ করে ঢাকা-দুমকি-বাউফল-দশমিনা রুটে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একসময় এ রুটে চার থেকে পাঁচটি দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল করলেও বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় শতাধিকে পৌঁছেছে। এর ওপর ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অতিরিক্ত পরিবহন যুক্ত হওয়ায় সরু ও সর্পিলাকার সড়কে যানবাহনের চাপ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে প্রায় প্রতিদিনই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়গুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের।

যাত্রীদের অভিযোগ, স্বল্প দূরত্বের পথ পাড়ি দিতেও এখন কয়েকগুণ বেশি সময় লাগছে। জরুরি কাজে যাতায়াতকারীরা পড়ছেন বিপাকে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও রোগী বহনকারী যানবাহনও এই যানজটের কারণে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

দশমিনা-ঢাকা রুটের ডলফিন পরিবহনের চালক সোহেলের মতে, সড়কটি সরু হওয়ায় দুই দিক থেকে গাড়ি চলাচলে প্রায়ই সমস্যা দেখা দেয়। কোথাও কোথাও সড়কের বাঁক বেশি হওয়ায় বড় যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে একে অপরের মুখোমুখি হয়ে আটকে পড়ে, যা যানজটকে আরও তীব্র করে তোলে।

এদিকে পরিবহন কাউন্টার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ রুটটি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সড়কে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে ঢাকার সংযোগ সহজ করতে এই সড়কের গুরুত্ব বেড়েছে। কিন্তু সড়কের অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় বাড়তি চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সড়কটি প্রশস্তকরণ ও সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সড়ক সম্প্রসারণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপই পারে যাত্রীদের এই দুর্ভোগ থেকে স্বস্তি দিতে-এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত