অফিস-আদালত খুললেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেনি বন্দর নগরীতে

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম

ঈদের ছুটি শেষে অফিস-আদালত খুললেও চট্টগ্রাম মহানগরীতে এখনো প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে আসেনি। পরিবার পরিজনদের নিয়ে বাড়ি যাওয়া মানুষগুলোর আস্তে আস্তে ফিরছে নগরীতে। 

সরকার ঘোষিত টানা সাত দিনের  ঈদেও ছুটি শেষে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে অফিস আদালত খুলেছে। কিন্তু সব জায়গায় ঈদের আমেজেই কেটেছে খোলার দিন। ঈদের পরে প্রথম দিনে অফিসগুলোতে উপস্থিতি ছিল তুলনামূলকভাবে কম। যারা উপস্থিত হয়েছেন তাঁরাও পরস্পর ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময়ের মধ্য দিয়ে সময় কাটিয়েছেন। 

নগরীর আগ্রাবাদস্থ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইয়াসিন বাঙ্গালী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঈদ শেষে অফিস খুললেও কাটেনি ঈদের আমেজ। পরিবার পরিজনের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই এখনো শহরে ফিরেনি। সামনে স্বাধীনতা দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষ করেই এরা কর্মস্থলে ফিরবে। 

নগরীর প্রায় সব  গার্মেন্টস কারখানা ও মার্কেট এখনো বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে অধিকাংশ দোকান-পাট। নগরীতে যানবাহনের সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে অনেক কম। তাই নগরীর চিরচেনা যানজটের দৃশ্য এখনো ফিরে আসেনি। বলতে গেলে পুরোপুরি নগরী এখনো অনেকটা ফাঁকা। 

তবে, দুরবর্তী বিভিন্ন জেলার লোকজন  ঈদের ছুটি কাটিযে আস্তে আস্তে নগরীতে ফিরতে শুরু করেছে। চট্টগ্রাম রেল স্টেশন ও বিভিন্ন বাস স্টেশনে গিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানুষের শহরে ফেরার চিত্র দেখা গেছে। বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে দিয়ে দেখা গেছে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে আসা ট্রেনে ফিরছে কর্মজীবী মানুষ। রেল স্টেশনে কথা হয় নগরীর আগ্রাবাদ এলাকার একটি সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আবদুল হালিমের সাথে। তিনি জানালেন চাঁদপুরের হাইমচরে গ্রামের বাড়িতে ঈদের লম্বা ছুটি ভালোই কেটেছে। ছুটি শেষে পরিবার-পরিজন নিয়ে আবারো ফিরছেন কর্মস্থলে। যাতায়াত পথে খুব একটা ভোগান্তি হয়নি বলে জানান তিনি।

নগরীর কদমতলী বাস স্টেশন, শাহ আমানত সেতু বাস স্টপেজ, বহদ্দার হাট বাস টার্মিনাল ও একে খান এলাকার বাস কাউন্টারের সামনেও দেখা মিলেছে ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা লোকজনের। 

ছুটি শেষ হলেও আগামী বৃহস্পতিবার মহান স্বাধীনতা দিবস ও পরবর্তী দুই দিন শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি যোগ হওয়ায় অনেকে এর আগে শহরে ফিরছেন না। তাই আগামী সপ্তাহের শুরুতে ফিরে  আসতে পারে ব্যস্ততম নগরীর স্বাভাবিক চিত্র।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত