দৌলতদিয়ায় দুর্ঘটনায় কুষ্টিয়ার ৪ যাত্রী নিখোঁজ

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৫০ পিএম

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে পদ্মা নদীতে ডুবে গেছে ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। ওই বাসে চালক হেল্পারসসহ অন্তত ৫০ যাত্রী ছিল। বুধবার (২৫মার্চ) বেলা আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল থেকে শিশুসহ ৮ যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায় বলে নিশ্চিত করেন পরিবহনের স্থানীয় কাউন্টার কর্মী। এরপর বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ফেরিতে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাসটি। সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালী বাস কাউন্টার মাস্টার তন্ময় আহমেদ।

তিনি বলেন, বেলা আড়াইটার দিকে ৬ জন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়। এরপর খোকসা থেকে ৭ জন, মাছপাড়ার ৪ জন, পাংশার ১৫জন, চালক, হেল্পারসহ মোট ৫০ জন ছিলেন। তাঁর ভাষ্যমতে, ৪০ সিটের বাসে মোট ৫০ জন ছিল। ব্রেক ফেল করে গাড়িটি নদীতে নেমে যায়। ঘটনার পর কুষ্টিয়ার কুমারখালী বাস টার্মিনাল থেকে ওঠা ৮ জনের পরিচয় জানা গেছে।

তারা হলেন, গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭), ছেলে আবুল কাসেম সাফি (১৭) ও মেয়ে আয়েশা বিনতে গিয়াস (১২) এর মধ্যে গিয়াস উদ্দিন রিপনের মেয়ে আয়েশা বিনতে গিয়াস (১২) এখনো নিখোঁজ। গিয়াস উদ্দিন ঢাকার তাকাওয়া ফুডের মালিক, তার বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা সমসপুর এলাকায়। ওপর যাত্রীরা হলেন, মো. নুরুজ্জামান সাহেদ (৩২), স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০),  মেয়ে নাওয়ার আক্তার (৪) ও ৭ মাস বয়সী আরশান,  তাদের মধ্যে  স্ত্রী আয়েশা আক্তার ও সাত মাস বয়সী মেয়ে আরশান নিখোঁজ।  মো. নুরুজ্জামান সাহেদ ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা খোন্দকবাড়িয়াতে। কুষ্টিয়ার খোকসা কাউন্টার থেকে ওঠা উপজেলা ধুসুন্ডু গ্রামের দেলোয়ার হোসেন (৩০), তার স্ত্রী (নাম জানা যায়নি), তার ৩ বছরের ছেলে ইসরাফিল। এর মধ্যে  দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইসরাফিল নিখোঁজ রয়েছে।

কুমারখালী  থানার ওসি (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম জানান, সৌহার্দ্য পরিবহন আজ বেলা ২ টা ২০ মিনিটের সময় কুমারখালী থেকে  ৬ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি ঢাকার উদ্দেশে যাওয়ার পথে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে এবং ঘটনায় এক  শিশু নিখোঁজ রয়েছেন।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত