বাংলাদেশের ক্রিকেটে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা এবং সাকিব আল হাসান—দুটি নামই কিংবদন্তিতুল্য। তবে গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই দুই সাবেক অধিনায়কের ভবিষ্যৎ এখন আইনি বেড়াজালে বন্দি। তারা কি আবারো দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে ফিরতে পারবেন? মিরপুরে স্বাধীনতা দিবসের প্রদর্শনী ম্যাচ শেষে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলেছেন বিসিবি সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ।
২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু করে ভারতকে সিরিজ হারানো—মাশরাফীর হাত ধরেই বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে এক ‘স্বর্ণযুগ’ দেখেছিল। তবে দেড় বছর ধরে মাঠের বাইরে থাকা এই ক্রিকেটারের নামে বর্তমানে একাধিক মামলা রয়েছে। মাশরাফীর বিসিবিতে আসার সম্ভাবনা নিয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, 'মাশরাফীর বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য যে অবদান ছিল সেটা কিন্তু এখানে লেখা আছে। ওয়ানডে দল আজ যে অবস্থায় এসেছে বা তার সময়টার মধ্যে যে জায়গায় দাঁড়িয়েছিলাম, সেটার পেছনে একটা বিরাট ভূমিকা ছিল পুরো দলকে একত্রিত করার। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে তার যদি অন্য কোনো সমস্যা না থাকে বা সে যদি আসতে চায় বোর্ডে, তাহলে আসবে।'
আইনি জটিলতা নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, 'মাশরাফীর আইনগত কোনো সমস্যা আছে কি না, এটা আমি জানি না। তবে একজন অধিনায়ক হিসেবে সে কী করেছে বাংলাদেশের জন্য, তা বলে শেষ করা যাবে না। আজ আমার সম্পর্কে আপনারা অনেক কথা বলবেন, কিন্তু সেটা বলে আমাকে বাংলাদেশের অধিনায়ক থেকে বাদ দিতে পারবেন না। এটা (ইতিহাস) হয়ে গেছে।'
সাকিব আল হাসানের ক্ষেত্রেও আইনি লড়াইকেই ফেরার একমাত্র পথ হিসেবে দেখছে বিসিবি। ফারুক আহমেদের মতে, সাকিব একজন গ্লোবাল ব্র্যান্ড, তবে তাকে প্রক্রিয়া মেনেই আসতে হবে। সাকিবের বিষয়ে তিনি বলেন, 'সাকিব আল হাসানের ব্যাপারটা বোর্ডের পক্ষ থেকে আমরা স্পষ্ট করেছি। এখন তার যে আইনগত দিকগুলো আছে, এটা সরকারের সঙ্গে বসতে হবে। আইনিভাবে লড়াই করেই আসতে হবে এবং লড়াই করার পরে তাকে দলে নেওয়ার ব্যাপারটা নির্বাচক প্যানেল চিন্তা করবে।"
সাকিবের বর্তমান ফর্ম ও ফিটনেস নিয়ে আশাবাদী এই কর্মকর্তা জানান, সাকিব যে মানের ক্রিকেটার, তাতে একটু ঝালাই করলেই তিনি আবারো জাতীয় দলের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠবেন।
যুদ্ধের মেঘ আর বিশ্বকাপ অনিশ্চয়তার মাঝেই তুরস্কে প্রস্তুতি ইরানের