নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া-জলঢাকা ও ডিমলা-ডোমার সড়কে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। রাতে সশস্ত্র ডাকাত দল চলন্ত ট্রাক, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে চালক-যাত্রীদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে। এ ঘটনায় র্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযানে ডাকাত দলের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৯ মার্চ) রাত অনুমান দেড়টার দিকে ঘন্টা ব্যাপী ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ডালিয়া-জলঢাকা সড়কের ‘স্লুইচ গেট’এলাকায় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি ডাকাত দল সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বিভিন্ন যানবাহনে চালক ও যাত্রীদেন ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অন্তত ৫০টি মোবাইল ফোন ও প্রায় ১০ লক্ষাধিক নগদ টাকা লুট করে নেয়।
এসময় ডাকাতরা কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে এবং যাত্রী ও চালকদের মারধর করে আহত করে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী চালকদের দাবি, যারা দ্রুত জানালা খুলতে দেরি করেছে তাদের ওপর বেশি হামলা চালানো হয়।
ঘটনার সময় রাত আড়াইটার দিকে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ডিমলা থানায় খবর দেয় এবং একত্রিত হয়ে ডাকাতদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়।
পরে ভুক্তভুগিরা ডিমলা থানা ও র্যাব-১৩ সিপিসি-২ নীলফামারীতে অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর অভিযানে নামে র্যাব ও পুলিশ।
তথ্য প্রযুক্তির সহযোগীতায় ও বিভিন্ন সিসিটিভি পর্যবেক্ষণের পর সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরের দিকে নীলফামারী র্যাব-১৩ ও ডিমলা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে উপজেলার দক্ষিণ সোনাখুলি গ্রামের নুরল হকের ছেলে আ: মালেককে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিমলা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই পরিতোষ রায় জানান, ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ দিয়েছে। এঘটনায় ডাকাত দলের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নীলফামারীর সহকারী পুলিশ সুপার (ডোমার-ডিমলা সার্কেল) মো. নিয়াজ মেহেদী ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলেন। তিনি জানান, দ্রুত ডাকাত দলের সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।
