রাঙ্গামাটিতে জ্বালানি সংকট দিন দিন আরও প্রকট হচ্ছে। প্রশাসন থেকে তেল সরবরাহে ফিলিং স্টেশনগুলোতে রুটিন করে দেওয়ার পরও কমছে না গ্রাহক হয়রানি। বরঞ্চ দীর্ঘ দুই-তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ায় তাৎক্ষণিক মোটরসাইকেল দিয়ে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম অবরোধ করেন অর্ধশত মোটরসাইকেল আরোহী।
পুলিশ জানায়, শহরের রাজবাড়ি এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে মোটরসাইকেলে তেল না পেয়ে অর্ধশত মোটরসাইকেল আরোহী প্রধান সড়কে মোটরসাইকেল দিয়ে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় তারা তেল না পাওয়ায় বিক্ষোভ করতে থাকে। পরবর্তীতে পুলিশ গিয়ে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে মোটরসাইকেল সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধকালীন সড়কের দুপাশে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে। এ সময় সিএনজিচালক ও বাইকারদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি সৃষ্টি হয়।
বাইক রাইডার রাহুল চাকমা বলেন, প্রতিদিন বাইক রাইড করে পণ্য দিতে হয়। যে পরিমাণ তেল দেয়, তাতে হয় না। তিনি আরও বলেন, ‘সকাল ৭টায় লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। বেলা ১১টায় তেল দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় আর তেল পাইনি। প্রতিদিন কী পরিমাণ এবং কত জনকে দেবেজ্বা এটা আগে জানিয়ে দিলে আমাদের লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হতো না।’
মেসার্স এসএন পেট্রোলিয়াম এজেন্সি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. ছিদ্দিক বলেন, ‘আজ (শনিবার) এক হাজার গাড়িতে ৫০০ টাকা করে অকটেন দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা মতো আমরা জ্বালানি দিয়ে যাচ্ছি। এর পরও অনেকে তেল পাইনি।’
এ বিষয়ে রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, ‘শহরের রাজবাড়ি এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের সমানে ফুয়েলের জন্য সড়ক অবরোধ করেছিল। পাম্পে থাকা আমাদের সদস্যরা তাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।’