সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী তৃতীয় দফায় রিমান্ডে 

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৮ এএম

১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল শনিবার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের এসআই রায়হানুর রহমান চার দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ২৯ মাচ ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগের মামলায় সাবেক লে. জেনারেল মাসুদকে দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এ নিয়ে মাসুদ উদ্দিনকে তৃতীয় দফায় ১৪ দিনের রিমান্ড নিয়েছে ডিবি পুলিশ। 

গত ২৩ মাচ গভীর রাতে বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। ২০০৭-০৮ সময়ের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি রিক্রুটিং এজেন্সির এমডি। ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির টিকিটে ফেনী-৩ আসন থেকে এমপি হয়েছিলেন। এ কোম্পানির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগেই গত বছর ৩ সেপ্টেম্বর পল্টন থানায় এ মামলাটি করেন আফিয়া ওভারসিজের প্রোপাইটর আলতাব খান। এ মামলার ১০১ আসামির মধ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর নাম রয়েছে ৩ নম্বরে। আওয়ামী লীগ আমলের প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, আহমেদ ইন্টারন্যাশনালের প্রোপাইটর ও সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ এবং ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের প্রোপাইটর মো. রুহুল আমীন স্বপনসহ ১০৩ জন এ মামলার আসামি।

মামলার এজাহারে বাদী আলতাব খান অভিযোগ করেছেন, জনশক্তি রপ্তানিতে ২ হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্ট থাকলেও মামলার আসামিরা সিন্ডিকেট করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করেছেন। মামলার আসামি সচিব আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন সরকারি চাকরিরত অবস্থায় নিজ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তার ছেলেকে সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য হিসেবে ব্যবহার করেছেন। আর সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ তার স্ত্রীর বড় ভাইয়ের ছেলেকে বিধিবহির্ভূতভাবে ‘প্রবাসী’ নামে একটি অ্যাপ চালু করার অনুমোদন দিয়ে ওই চক্রকে সহযোগিতা করেছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত