চট্টগ্রাম বন্দর টার্মিনাল পরিচালনায় থাকতে পারে বিদেশি অপারেটর

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৯ এএম

চট্টগ্রাম বন্দর কোনো বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তবে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটি বা সরকার অনুমোদিত ব্যবস্থায় শুধু টার্মিনাল পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগ করা হয়, যেখানে দেশি ও বিদেশি উভয় প্রতিষ্ঠানই বিবেচনাযোগ্য। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বের এ জবাব টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

গত বছর ২৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের লালদিয়ার চরে কনটেইনার টার্মিনাল এবং পানগাঁওয়ে নৌ টার্মিনালের দায়িত্ব যে দুই বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে, তারা ১০ বছর পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা পাবে। চট্টগ্রামের লালদিয়ার চরে কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে ডেনিশ কোম্পানি এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চুক্তি করে সরকার। একই দিন পানগাঁওয়ের নৌ টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়ে চুক্তি হয় সুইজারল্যান্ডের কোম্পানি মেডলগের সঙ্গে। গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় বিএনপির সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর নিয়োগ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের এ সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে নৌমন্ত্রী বলেন, বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগের বিধান আছে। সেই কাঠামোয় দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের অপারেটর কাজ করতে পারে।

নৌমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম বন্দর কর্র্তৃপক্ষ আইন, ২০২২ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বোর্ড এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এটি পরিচালনা করেন। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তও বন্দর কর্র্তৃপক্ষ অনুসরণ করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত