মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিউ ইংল্যান্ড রেভোল্যুশনের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ১-১ ব্যবধানের ড্র যেন সমর্থকদের কাছে হারের মতোই তিক্ত মনে হচ্ছে। বিশেষ করে ঘরের মাঠ 'নু স্টেডিয়াম'-এ টানা ব্যর্থতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ভক্তরা। সমর্থকদের অভিযোগ, দলের বাকিদের 'বাজে' পারফরম্যান্সের কারণে লিওনেল মেসির মতো মহাতারকাকেও ম্লান দেখাচ্ছে।
পুরো ম্যাচে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চললেও প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন নিউ ইংল্যান্ডের সাবেক এমএলএস এমভিপি কার্লেস গিল। উইল স্যান্ডসের লম্বা থ্রো-ইন থেকে ডর তুর্গেম্যানের সহায়তায় বল পেয়ে মায়ামির গোলরক্ষক ডেইন সেন্ট ক্লেয়ারকে পরাস্ত করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন গিল।
এর ঠিক কয়েক মিনিট আগেই টাডিও আলেন্দের গোলে ইন্টার মায়ামি উল্লাসে মেতেছিল, তবে অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি।
ম্যাচের ৭৬ মিনিটে সমতায় ফেরে ইন্টার মায়ামি। ডি-বক্সের ভেতর লুইস সুয়ারেজ দারুণ এক ঘূর্ণিপাকে শট নিলেও নিউ ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক ম্যাট টার্নার সেটি ঠেকিয়ে দেন। কিন্তু বলটি তার হাত থেকে ফস্কে গিয়ে সরাসরি পৌঁছায় জার্মান বের্টেমের সামনে। সুযোগের সদ্ব্যবহার করে সহজ গোলে ম্যাচ ১-১ সমতায় ফেরান বের্টেম। ম্যাচের বাকি সময় আর কোনো গোল না হওয়ায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।
সমর্থকদের তীব্র সমালোচনা
নতুন স্টেডিয়ামে মায়ামির এই ড্রকে অনেকেই 'লজ্জাজনক' বলে অভিহিত করেছেন। টুইটারে (বর্তমানে এক্স) এক ক্ষুব্ধ সমর্থক লিখেছেন, "তোমরা এতটাই বাজে খেলছো যে তোমাদের জন্য মেসিকেও খারাপ দেখাচ্ছে।"
অন্য একজন ভক্ত দলের পারফরম্যান্সকে অপেশাদার আখ্যা দিয়ে বলেন, "পুরো দলের অর্ধেকই অপেশাদারদের মতো খেলেছে। দুই ঘণ্টা সময় নষ্ট হলো।"
নিজেদের নতুন স্টেডিয়ামে ইন্টার মায়ামির রেকর্ড এখন ০-০-৩ (তিনটিই ড্র)। অথচ এবারের মৌসুমে অ্যাওয়ে বা বাইরের মাঠে তাদের রেকর্ড ৫-১-১।
