১১ রানের ভেতর দুটো উইকেটের পতন, রান-রেটও বাড়ছে তরতর করে। এমন পরিস্থিতিতে তাওহিদ হৃদয়ের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংই খেলার রঙ বদলে দিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে জয়ের নায়ক তাওহিদ হৃদয় ম্যাচের পর জানালেন, তার ব্যাটিংয়ের মন্ত্রই ছিল ‘ অ্যাটাক ইজ দ্যা বেস্ট ডিফেন্স’।
নিউজিল্যান্ড এসেছে প্রায় আনকোড়া দল নিয়ে। তাদের বিপক্ষে হারটা মেনে নিতে পারতেন না, সংবাদ সম্মেলনে এসে এমনটাই জানালেন হৃদয়, ‘আমরা এখন অভিজ্ঞ। সবাই ৩০-৩৫টা ম্যাচ খেলা। এই অবস্থা থেকে এমন ম্যাচ হেরে যাওয়া আমাদের জন্য ভালো উদাহরণ না। আমাদের ব্যাটারদেরই এই দায়িত্ব নিতে হবে। তবে প্রতিদিন কিন্তু টপ-অর্ডার থেকে রান আসবে না, এমন ম্যাচ আসবে যে লোয়ার অর্ডার থেকেও ভালো করতে হবে। আমরা এই জিনিসগুলো যতো দ্রুত সম্ভব ভালো করা যায় সেই চেষ্টা করছি।’
হেরে যাবার ভয়কে জয় করার জন্য ব্যাটিংয়ে কোন চাপ নেননি হৃদয়, ‘আমাদের আজকের ইতিবাচক দিক হলো কখনই আমরা চাপ নেইনি। ড্রেসিংরুমের ভেতর থেকেও মনে হয়নি আবার ক্রিজে থেকেও মনে হয়নি যে চাপে আছি। আমরা প্রতি ম্যাচ এভাবে খেলতে চাই। এরকম ম্যাচ যতো জেতাতে পারব দলের জন্যও ভালো এবং ক্রিকেটারের জন্যও ভালো।’ সেই ভয় তাড়াতেই প্রতিপক্ষের মনে ভয় ধরিয়েছেন হৃদয়, ‘কথায় আছে না, অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স। তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আপনি যদি বেশি মাথা নিচু করে থাকলে আসলে হয় না।’
সতীর্থ পারভেজ হোসেন ইমনও করেছেন আগ্রাসি ব্যাটিং, তার প্রশংসা করে হৃদয় বলেছেন, ‘ইমন যেটা করেছে ও খুব রাইট চুজটা করেছে এবং খুব ক্লিয়ার মাইন্ড ছিল। এবং আমিও দুই-একটা ইনফরমেশন ওকে দিয়েছি যে এদিক দিয়ে ওদিক দিয়ে ট্রাই করলে ভালো হয়। ওর এক্সিকিউশনটা অনেক ভালো ছিল।' নিজের ব্যাটিং নিয়ে হৃদয়ের পরিকল্পনা ছিল নেমেই পালটা আক্রমণে যাবার, ‘জাস্ট আমার প্ল্যান ছিল যে আমি অ্যাটাক করবো। কারণ ওখানে যদি অ্যাটাক না করতে পারি তাহলে হয়ত টাফ হয়ে যেত টিমের জন্য। আমি শুধু চেষ্টা করেছি যতটুকু অ্যাটাক করা যায়।'
টেস্ট ব্যাটিংয়ে বাজবল স্টাইলের পরিবর্তন আনতে চায় বাংলাদেশ