পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদি কমিউনিটি ক্লিনিকটি মাদকাসক্ত ও উঠতি বয়সী বখাটে যুবকদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন দায়িত্ব শেষে ক্লিনিক বন্ধ হওয়ার পর সেখানে নিয়মিত মাদকের আসর বসছে। সর্বশেষ শনিবার (৯ মে) রাতে দুর্বৃত্তরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ক্লিনিকের দরজা-জানালা ভাঙচুর করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্লিনিকের দায়িত্ব পালন করেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) খন্দকার সালেহ আহমেদ। তিনি দায়িত্ব শেষে চলে গেলে ক্লিনিক ভবনটি বখাটে যুবক ও মাদকাসক্তদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। সেখানে গভীর রাত পর্যন্ত মাদক সেবনসহ নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ক্লিনিকের আশপাশে প্রতিনিয়ত বখাটেদের আনাগোনা দেখা যায়। তারা প্রকাশ্যে মাদক সেবন ও উচ্চস্বরে হৈচৈ করলেও ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। প্রতিবাদ করলে হয়রানি কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান তারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, শনিবার রাতে কয়েকজন মাদকাসক্ত নেশার ঘোরে ক্লিনিকের দরজা ও জানালা ভাঙচুর করে। এসময় পথচারীরা ঘটনাটি দেখলেও ঝামেলায় জড়ানোর ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি।
এ বিষয়ে চরগরবদি কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার খন্দকার সালেহ আহমেদ বলেন, বর্তমানে ক্লিনিকে আমি একাই কর্মরত আছি। অন্য কোনো জনবল নেই। দায়িত্ব শেষে ক্লিনিক তদারকি করা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ক্লিনিকটিতে নিরাপত্তা জোরদার, অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ এবং মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জে গরু চুরির অভিযোগে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২