জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশে একটি মহল রাজনীতির নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সতর্ক থাকুন। রাজনীতির নামে যদি কেউ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়, অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়; আপনারা কি বসে থাকবেন? আমরা কেউ বসে থাকব না। শক্ত হাতে প্রতিহত করব।’
গতকাল শনিবার বিকেলে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। এ অনুষ্ঠানে চাঁদপুর ছাড়াও আরও ২০ জেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে ১০ নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ল্যাপটপের বাটম টিপের সঙ্গে সঙ্গে চাঁদপুরসহ আরও ২০ জেলার সুবিধাভোগী (১৫ হাজার নারী) প্রত্যেকের কাছে নগদ অর্থ (আড়াই হাজার টাকা) চলে যায়।
প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁদপুরে পাঁচটি কর্মসূচিতে অংশ নেন।
বিএনপি দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের রাজনীতি করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মানে খাল খনন, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন মিল-কারখানা তৈরি, মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা করা, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, এর প্রত্যেকটি কর্মসূচি হচ্ছে এই দেশের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের স্বার্থে। আর এ লক্ষ্যেই আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে এ দেশ থেকে স্বৈরাচার হটিয়েছি। দেশের মানুষ এখন নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এখন হচ্ছে আমাদের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পালা।’
প্রধানমন্ত্রী সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন সময় কাজ করার, এখন সময় দেশ গড়ার। তাই আসুন দেশ গড়ার কাজে নেমে পড়ি। এই জনসভায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই, যাতে আমাদের দেশ গড়ার পথে কেউ বাধাগ্রস্ত না করতে পারে। এ জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। আসুন, আমরা এই শর্তে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’
এ সময় চাঁদপুরে ইপিজেড স্থাপন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন দাবির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সমর্থনের কথা জানান।
দেশের মানুষ শান্তি চায়, স্থিতিশীলতা চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু মানুষ একটি মহল বিভিন্ন বিতর্কের সৃষ্টি করছে। আজকে আপনাদের সামনে রেখে আমি পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে আমরা দেশের মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, দেশের মানুষ তার পক্ষে রায় দিয়েছে। কাজেই আমরা দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজে হাত দিয়েছি। এসব প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনের এ অনুষ্ঠানে হাজার হাজার নেতাকর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জালাল আহমেদ, ও রাশেদ বেগম হীরা, চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সলিম উল্যা সেলিম এবং সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
‘বিশ্ব খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন : ‘বাধা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র রুখে দেবে জনগণ’ : বিকেল পৌনে ৫টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমারডুলি গ্রামের ঘোষের হাটসংলগ্ন ‘বিশ্ব খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে এসে নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র রুখে দেবে জনগণ। জনগণ যতক্ষণ সমর্থন দেবে, আমরা বিএনপি জনগণের জন্য, দেশের জন্য ইনশাআল্লাহ কাজ করে যাব। এর থেকে এক বিন্দুও এদিক-ওদিক হবে না।’
সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন শুরু করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমরা যখন খাল কাটা শুরু করেছি, আমরা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দেওয়া শুরু করেছি, যখন ইমাম-মুয়াজ্জিনদের রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মানীভাতা দেওয়া শুরু করেছি, বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু করেছি, তখন কিছুসংখ্যক মানুষ এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর কথা বলছে। এর বিরোধিতা শুরু করেছে।’
তিনি বলেন, আজকে এই ‘বিশ্ব খাল’ পুনঃখননে আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই আমরা সবাই অ্যালার্ট থাকব, আমরা সবাই সচেতন থাকব। ওই বিভ্রান্তকারীদের বিভ্রান্তির ফাঁদে আমরা পা দেব না।
প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত হাজারো মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, যাতে খাল খনন কর্মসূচিতে কেউ বাধা দিতে না পারে। আমাদের সজাগ থাকতে হবে, যাতে মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার যে কর্মসূচি, সেই কর্মসূচি যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে। আমাদের সজাগ থাকতে হবে, কৃষক কার্ড কৃষক ভাইদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে পরিকল্পনা, সেই পরিকল্পনা যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে। আমরা দেশের বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করেছি, সেগুলো যাতে বাধাগ্রস্ত করতেন না পারে, সে ব্যাপারে আপনাদের সচেতন থাকতে হবে।’
সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন আজকে এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচি থেকে আমরা সবাই মিলে একটি প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ হই, তা হচ্ছে এই দেশ আমাদের দেশ। এই দেশকে ’৭১ সালে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছিলেন। কাজেই এখন আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার পালা। আমরা সবাই মিলে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে ইনশাআল্লাহ আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।
খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন উদ্বোধন : ‘দেশ পুনর্গঠনই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা’ : প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে ফলক উন্মোচন করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে খালের তীরে বৃক্ষরোপণ করেন। উদ্বোধন শেষে পাশেই তৈরি সমাবেশ মঞ্চে উঠেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় খালের দুপাশে কয়েক হাজার নেতাকর্মী-সমর্থক তুমুল সেøাগান ও করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খোর্দ্দ খাল খনন করেছিলেন। ৪৮ বছর পর সেই খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রয়াত জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান।
সেই ইতিহাস উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘৪৮ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই খাল পুনঃখননের এ অনুষ্ঠান। আসুন আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা করি, কী প্রতিজ্ঞা? সেটি হচ্ছে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা।’
তিনি বলেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআন শরিফে বলে দিয়েছেন, যে জাতি নিজেদের সাহায্য করে, আমি তাকে সাহায্য করি। এই খাল (খোর্দ্দ খাল) যদি খনন না করি কৃষক ভাইয়েরা কি পানি পাবে? পাবে না। কাজেই খাল খনন করলে কৃষক ভাইয়েরা পানি পাবে। ঠিক একইভাবে আমরা যদি কাজ করি, হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করি, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত যদি একসঙ্গে কাজ করে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা পৃথিবীর বুকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হব।’
বিএনপির শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যারা বিএনপি করি, আমরা যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল করি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা দল করেছি, আমরা সবাই বলি জনগণই হচ্ছে আমাদের সবার রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। আপনাদের শক্তি হচ্ছে আমাদের শক্তি। আপনারা যতক্ষণ আমাদের পাশে থাকবেন, আপনাদের সমর্থন যতক্ষণ থাকবে, আমাদের দেশ গড়ার কাজ ইনশাআল্লাহ চলতে থাকবে।’
কুমিল্লা নামে বিভাগ হবে প্রধানমন্ত্রী : কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো চাঁদপুরে যাওয়ার পথে গতকাল দুপুর দেড়টায় কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুরবাজার মাঠে এক পথসভায় বক্তৃতা করেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা’ নামে বিভাগ হবে। কুমিল্লা নামে বিভাগ হওয়াটা যদি এই অঞ্চলের জনগণের দাবি হয়ে থাকে, ইনশাআল্লাহ সেটির বাস্তবায়ন হবে। বিএনপি সরকার জনগণের সব দাবি পর্যায়ক্রমে পূরণ করবে। একই সঙ্গে কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের বিষয়ে শিগগিরই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এখানে ২০০১ সালের নির্বাচনে বরুড়াবাসীর সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলাম বরুড়া আর আমার জেলা বগুড়া দুটো উচ্চারণ অনেক কাছাকাছি। আমি যে রকম আমার এলাকার উন্নয়ন দেখব, ইনশাআল্লাহ আমি বরুড়ার বিষয়েও সহযোগিতা করব। আমরা সেই সময় কথা রেখেছিলাম, এখানে সেই সময় প্রচুর রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ, কালভার্ট তৈরি হয়েছিল এলাকার মানুষের যোগাযোগের জন্য, সুবিধার জন্য।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম প্রত্যেক পরিবারের হাতে ধীরে ধীরে আমরা ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছাব, কৃষক কার্ড দেব এবং মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ধর্মীয় গুরুদের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা করব। আমরা ইতিমধ্যে সেই কাজগুলো শুরু করেছি। বাংলাদেশের প্রায় ৬০ হাজার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মানীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশের মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। কৃষক ভাইদের হাতে কৃষক কার্ড দেওয়ার কাজ অল্প করে হলেও শুরু করা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায় বিএনপি দেশের মানুষকে যে কথা দেয়, সরকারে থাকলে তা সব সময় রক্ষা করার চেষ্টা করে।’
পথ সভায় সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম প্রমুখ।
যাত্রা পথে নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কপথে চাঁদপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন সকাল ৯টায়। এ সময় গুলশানের বাসা থেকে বের হয়ে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ সোনারগাঁও দিয়ে যাত্রা করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই যাত্রা কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা সকাল থেকে মহাসড়কে অবস্থান নেন। নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে সোনারগাঁওয়ের মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত ১৯ কিমি সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে সেøাগানে সেøাগানে প্রিয় নেতাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
এ ছাড়া চাঁদপুর পর্যন্ত যাত্রাপথের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা দলপ্রধানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
