গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বিকাশ ব্যবসায়ী আনিছুর রহমান প্রধানের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। এ সময় তারা হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে উপজেলার নাকাইহাট এলাকায় এ কর্মসূচি করেন তারা। বিক্ষোভ শেষে গাইবান্ধা-গোবিন্দগঞ্জ ভায়া নাকাইহাট সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়।
এ সময় সড়কের ওপর টায়ার চালিয়ে তারা বিক্ষোভ করে। প্রায় ৩০ মিনিট সড়ক অবরোধ করে রাখে। সড়কের দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সড়ক অবরোধ তুলে নেয়। কর্মসূচিতে নাকাইহাট এলাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, নিহতের স্বজনসহ প্রায় দুই শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বিক্ষোভ শেষে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এতে বক্তব্য দেন নিহত আনিছুর রহমানের স্ত্রী জিন্নাত আরা, বড় ভাই শাহ আলম, আইনজীবী মেহেদী হাসান স্বপন, চাচা মাফুজার মণ্ডল, স্থানীয় ব্যবসায়ী সুমন মন্ডল, সিরাজ প্রমুখ।
নিহত আনিছুর রহমানের স্ত্রী জিন্নাত আরা অভিযোগ করে বলেন, ‘মামলার হওয়ার প্রায় পাঁচদিন অতিবাহিত হয়েছে। মামলার আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আসামিরা সক্রিয়। কিন্তু প্রশাসন আসামিদের গ্রেপ্তার করছে না’।
বক্তারা বলেন, আনিছুর হত্যাকাণ্ডে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।
এসব বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১২ মে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নাকাইহাট এলাকার মারপিটের ঘটনায় আনিসুর রহমান মন্ডল (৪০) আহত হন। পরের দিন ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত আনিসুর উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের নাকাই গ্রামের নুরুল হক মন্ডলের ছেলে। তিনি স্থানীয় নাকাইহাট বাজারে বিকাশ ব্যবসায়ী ছিলেন। এ ঘটনায় গত ১৪ মে নিহতের বড় ভাই শাহ আলম বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৪১ জনের নাম উল্লেখ ও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়। মামলার পর এ পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
রাজধানীর মিরপুর এলাকায় জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছা বিনিময়