পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়ছেন লাখো মানুষ। সোমবার (২৫ মে) সরকারি ছুটির প্রথম দিন সকাল থেকেই রাজধানী ছেড়ে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরতে শুরু করেছেন তারা।
ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলায় সড়কপথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে। রাজধানী থেকে পোস্তগোলা সেতু ও বাবুবাজার সেতু হয়ে এই মহাসড়কে উঠতে হয়।
মঙ্গলবার সকালে দেখা গেছে, ঈদযাত্রায় ঢাকা থেকে বের হওয়ার এই দুপথে স্বাভাবিক যানজট থাকলেও তেমন ভোগান্তি নেই। যাত্রীবাহী যানবাহনের চাপ বাড়লেও মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি। ধলেশ্বরী টোলপ্লাজায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত দুটি বুথ চালু করা হয়েছে।
তবে, সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাস না ছাড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বরিশালগামী এক যাত্রী বলেন, ৫০০ টাকার ভাড়া ১ হাজার টাকা দিয়ে মিজান পরিবহণের টিকিট কাটছি। ঝালকাঠিগামী এক যাত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে, এখনো বাস আসেনি।
টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস পরিবহণের কাউন্টারকর্মী জানান, বাসগুলো ঢাকার ভেতর থেকে এসে সেতু পার হয়ে কাউন্টারে পৌঁছায়। রাজধানীর ভেতরে যানজট থাকায় অনেক সময় বাস নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে পারে না। এছাড়া খারাপ আবহাওয়া বা সড়ক দুর্ঘটনার কারণেও দেরি হয়।
ধলেশ্বরী টোলপ্লাজার ম্যানেজার (এডমিন) মো. হাদী জানান, আমাদের ১০টি বুথ সবসময় চালু থাকে। ঈদ উপলক্ষে আরও দুটি বুথ খোলা হয়েছে। মহাসড়কে যানবাহন বেড়েছে, তবে দীর্ঘ ছুটি থাকায় বড় ধরনের সমস্যা হবে না বলে আশা করছি।
ঢাকা জেলা (দক্ষিণ) ট্রাফিক পুলিশের ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বাংলাদেশিদের জন্য মিসর দূতাবাসের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা