তিস্তা মহাপরিকল্পনার একনেক অনুমোদনের দাবি

তিস্তা পাড়ে আলোর মিছিল

আপডেট : ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৯ এএম

প্রধানমন্ত্রীর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত প্রকল্পটির একনেক অনুমোদন এবং সময়বদ্ধ বাস্তবায়ন রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের মানুষরা। এ দাবিতে গণসমাবেশ ও আলোর মিছিল করেছেন তিস্তা নদী পাড়ের বাসিন্দারা। এ কর্মসূচিতে অংশ নেন গাইবান্ধাসহ তিস্তা অববাহিকার পাঁচ জেলার হাজারো মানুষ। 

বুধবার (১ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে  উপজেলার তারাপুর ইউনিয়ন ও কুড়িগ্রামের চিলমারির উপজেলার সীমান্তে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ এই কর্মসূচির আয়োজন করেন।

 সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী, সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য আলমগীর কবির, বাবুল আক্তার, আশিকুর রহমান, ববিউল ইসলাম, আব্দুস ছাত্তার, জিয়াউর কামরুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আজকের এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে একই সময়ে গাইবান্ধা, রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা তীরবর্তী আটটি স্থানে একযোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।  এছাড়া নীলফামারীর জলঢাকার শৈলমারী ও বানপাড়া, কুড়িগ্রামের রাজারহাটের বুড়িরহাট ও উলিপুরের হোকোডাঙা, রংপুরের গঙ্গাচড়া এবং তিস্তা তীরবর্তী অন্যান্য এলাকাতেও গণসমাবেশ ও আলোর মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা আরও বলেন, 'জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমরা তাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। তবে তিস্তা পাড়ের মানুষ আর নতুন প্রতিশ্রুতি নয়, প্রকল্পটির দ্রুত একনেক অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি দেখতে চায়।

'বক্তারা বলেন, 'তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়; এটি নদীভাঙন রোধ, তিস্তার দুই তীর সংরক্ষণ, নদী খনন, কৃষি ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিল্পায়ন এবং উত্তরাঞ্চলের আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করার একটি সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তিস্তা অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। সেই সাথে উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত