দিনাজপুরের বীরগঞ্জে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ইব্রাহিম হুসেন ইমনকে (২৪) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব সদস্যরা।
আজ শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টায় র্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার রাত পৌনে ১২টায় জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ভগিরপাড়ার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গ্রেপ্তার ইমন ওই এলাকার তাওয়াজ উদ্দীনের ছেলে।
র্যাব জানায়, ভিকটিম বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের ছাত্রী। সে বীরগঞ্জে একটি মেসে থেকে লেখাপড়া করে। আসামি ইমন দীর্ঘদিন যাবত ঐ কলেজছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। প্রথমে ভিকটিম রাজি না হলেও পরে আসামি ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।
গত ১৯ এপ্রিল দুপুরে ইমন কৌশলে ভুক্তভোগীকে নিয়ে নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার পোষ্ট অফিসের মোড়ে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। পরে সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। পরে ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রীর পরিবার ঘটনাটি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে আসামি ও ভিকটিমকে আটক করে।
পরে স্থানীয়রা দুইজন ইউপি সদস্যের মাধ্যমে আসামি ও ভিকটিমকে তাদের অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভুক্তভোগীর পরিবার আসামির সাথে বিয়ের ব্যাপারে যোগাযোগ করলে অভিযুক্তের পরিবার বিয়ে দিতে অস্বীকার করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার আদালতে অপহরণের পরে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে ৮ মে বীরগঞ্জ থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামি ইমন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত পৌনে ১২টায় বীরগঞ্জ উপজেলার ভগিরপাড়ার বাসা থেকে আসামি ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইমনকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলে র্যাব জানায়।