নীতি-সহায়তা পেতে মামলা প্রত্যাহার বাধ্যতামূলক

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৬ এএম

এখন থেকে সরকারের প্রণোদনা; নীতি সহায়তা পেতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর মামলা অনিষ্পত্তি থাকলে কোনো ধরনের প্রণোদনা বা নীতি সহায়তা পাবেন না ওই সব গ্রাহক। প্রণোদনা পেতে হলে এসব মামলা প্রত্যাহার করার প্রমাণ হিসেবে হলফনামা (এফিডেভিট) দিতে হবে। গতকাল বুধবার একটি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে উৎপাদনশীল খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়িয়ে বেসরকারি বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গঠনে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর আওতায় রপ্তানিমুখী বন্ধ কল-কারখানা চালু করাসহ কৃষি, সিএমএসএমইসহ বিভিন্ন খাতের ঋণগ্রহীতাদের ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রণোদনা ও নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

মামলাজট নিরসনে নির্দেশনায় বলা হয়, সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত কিংবা ভবিষ্যতে ঘোষিতব্য প্রণোদনা প্যাকেজসহ যেকোনো নীতি সহায়তা দেওয়ার আগে আবেদনকারীর বিরুদ্ধে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের দায়ের করা মামলা অনিষ্পন্ন রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে হবে।

আবেদনকারীর এসব মামলা অনিষ্পন্ন থাকলে মামলা প্রত্যাহার সাপেক্ষে নীতি সহায়তার আবেদন বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যাহার করা মামলার তালিকা সংযুক্ত করে আবেদনকারীকে একটি হলফনামা দিতে হবে। ওই হলফনামায় সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে আবেদনকারীর দায়ের করা কোনো মামলা অনিষ্পন্ন নেইÑ এ মর্মে ঘোষণা দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনার ফলে নীতি সহায়তা গ্রহণের ক্ষেত্রে মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি বাধ্যতামূলক হলো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত