টাঙ্গাইলে কোনোভাবেই মাদক ঢুকতে দেয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী টুকু

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১০ পিএম

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ইছাপুর শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ‘মিড-ডে মিল’ কার্যক্রমের উদ্বোধন ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি। তিনি শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য, নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ভিত্তিক পুষ্টিকর খাদ্য কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনোভাবেই টাঙ্গাইলে মাদক চলতে দেওয়া হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেব। যে মাদক যুবসমাজ ও ছাত্রসমাজকে ধ্বংস করে, সেই মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য বাবা-মা অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। অনেক পরিবার ধান বিক্রি করে, জমি বিক্রি করে, এমনকি গবাদিপশু বিক্রি করেও সন্তানের শিক্ষার ব্যয় বহন করে। সেই সন্তান যদি মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, তবে পরিবারের কষ্ট ও হতাশার শেষ থাকে না। তাই পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সবাইকে মাদকবিরোধী সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে কোনোভাবেই মাদক কারবারিরা সমাজে অবস্থান না করতে পারে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাদক, সন্ত্রাস ও সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য মো. লুৎফুর রহমান মতিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক। স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মান্নান মোল্লা। 

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিদ্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, মিড-ডে মিল কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশিত খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুধীজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত