অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইলই বাড়াচ্ছে লিভারের সমস্যা। এমন অনেক মানুষ আছেন যারা নন-অ্যালকোহলিক। তারপরও ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার লিভারের জন্য বিষের সমান। এ ধরনের খাবার যেমন রক্তে কোলেস্টেরল এবং শর্করার মাত্রা বাড়ায়। তেমনই ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ডেকে আনে। রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার খেলে একই সমস্যা দেখা দেয়। তাই লিভার ভালো রাখতে কিছু খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।
কেক-বিস্কুট থেকে শুরু করে সিরিয়াল, ফ্লেভার্ড দই, সসসহ প্রায় সব ধরনের প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকসে চিনি মেশানো থাকে। অতিরিক্ত ভাজাভুজি এবং প্রক্রিয়াজাত মাংসও এড়িয়ে চলতে হবে। জ¦র বা গা-হাত-পায়ে যন্ত্রণা হলে মাঝে-মধ্যে প্যারাসিটামল খাওয়া যায়। দুটো ডোজের মধ্যে ৬-৮ ঘণ্টার ব্যবধান থাকাও জরুরি। মাত্রাতিরিক্ত পেইনকিলার খেলে লিভারের ক্ষতি হয়। শুধু পেইনকিলার নয়, হার্বাল সাপ্লিমেন্টেও এই একই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
মাঝেমধ্যে দু-এক রাত কম ঘুমালে শরীরের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। ঘুমের সময়েও লিভার তার কাজ চালিয়ে যায়। ঘুমের অভাবে লিভারের সেই কাজে ব্যাঘাত ঘটে। দিনের পর দিন কম ঘুমে শরীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয় এবং ফ্যাটি লিভারের ঝুঁঁকি বাড়ে।
পর্যাপ্ত পানি খেলে লিভার থেকে অতিরিক্ত টক্সিন ধুয়ে বেরিয়ে যায়। এর জন্য আলাদা করে ডিটক্স ওয়াটার খাওয়ার দরকার পড়ে না। কিন্তু শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে লিভারের স্বাভাবিক কাজেও ব্যাঘাত ঘটে। কিডনিও তার কাজ ঠিকমতো করতে পারে না। তাই হাইড্রেটেড থাকা ভীষণ জরুরি।
