পরিবেশমন্ত্রী বললেন

হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৪ এএম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। স্থানীয় জনগোষ্ঠী, বন বিভাগের মাঠকর্মী, বেসরকারি সংস্থা, শিক্ষার্থী, তরুণ প্রজন্ম, গবেষক ও গণমাধ্যমসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই হাতি সংরক্ষণ সম্ভব।

গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, হাতির আবাসস্থল রক্ষা মানে শুধু হাতিকে রক্ষা করা নয়; এর মাধ্যমে বন, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সুরক্ষিত হয়। একই সঙ্গে মানুষের ভবিষ্যৎও নিরাপদ হয়।

হাতি সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এলিফ্যান্ট কনজারভেশন অ্যাকশন প্ল্যান ২০১৮-২০২৭ প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে ৪০টি অগ্রাধিকার কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয়েছে, যা বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, মানুষ-হাতি সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারের ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চালু আছে। বিধিমালা অনুযায়ী হাতির আক্রমণে কেউ নিহত হলে তার পরিবারকে ৩ লাখ টাকা, আহত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা এবং জানমাল ও ফসলের ক্ষতির জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।

এ সময় ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দিতে বন অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, হাতি সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। স্থানীয় জনগণকে বাদ দিয়ে হাতি সংরক্ষণ কখনোই টেকসই হবে না।

অনুষ্ঠানে শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী এবং আরণ্যক ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আব্দুল মোতালেব বক্তব্য দেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত