সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন সংকট, অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১০ এএম

এবার সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে। সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ কলেজের সব সেশনের শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় সিন্ডিকেটের দালালেরা, এই ক্যাম্পাসে হবে না, সেন্ট্রাল আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার, সেন্ট্রাল নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না, অ্যাফিলিয়েশন মুক্ত কর, রানিং সেশন যুক্ত কর, ইত্যাদি সেøাগান দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে ঢাকা কলেজের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ বলেন, আমরা যতবার আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, প্রত্যেকবার ঢাকা কলেজের এই মুক্ত ময়দান থেকে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সেøাগান উঠেছে। আজও একইভাবে আমরা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির রানিং সেশন, অ্যাকাডেমিক মাইগ্রেশনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা এখানে সহাবস্থান করছিল, সব ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী এ ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিল। কিছুক্ষণ পরেই শিক্ষা সিন্ডিকেটের একটি দল ঢাকা কলেজের প্রশাসনিক ভবন থেকে বেরিয়ে আমাদের ক্যাম্পাসে যেসব শিক্ষার্থী অবস্থান করছিল, তাদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয় এবং আমাদের ঢাকা কলেজের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয় এবং বলে যে এখান থেকে কোনো বিক্ষোভ মিছিল বের হবে না।

তিনি বলেন, সরকার শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেছে। সে আইনের প্রেক্ষাপট ছিল রানিং সেশনগুলোর অ্যাকাডেমিক জটিলতাকে নিরসন করে আমাদের যে পরিচয়হীনতা আছে, এই পরিচয়হীনতাকে দূর করা। প্রথমত তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিল, কিন্তু যৌক্তিকতার খাতিরে আমরা যখন টেবিল টকে জিতে গেলাম, তখন সরকার এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমাদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেছে। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় কাজ ছিল যাদের সমস্যার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, তাদের সমস্যা নিরসন করা। তারা সেই কাজ করছে না।

শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, রানিং সেশন অ্যাড করতে বলা হলে তারা জানান, ‘আমরা মতবিনিময় সভা শেষ করে আমরা তোমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।’ মতবিনিময় সভা শেষ। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে যেখানে গণস্বাক্ষর নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, গণস্বাক্ষরের ভিত্তিতে তো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় হয়নি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে জনমতের ভিত্তিতে, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। এই বিষয় তো সুরাহা সেদিনই হয়ে গিয়েছিল, যেদিন অধ্যাদেশ ঘোষণা হয়েছিল। তারপরও কেন বিষয়টি নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে? আজকে আমাদের শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে আমরা ঢাকা কলেজের মূল ফটকে অবস্থান করছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত