কৃষিপ্রধান দেশ ‘ভিয়েতনাম’। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির উত্তরে চীন, পশ্চিমে লাওস ও কম্বোডিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্বে দক্ষিণ চীন সাগর। এর সঙ্গে আছে অসংখ্য গুহা। এসব গুহার একটি ‘হাং সং ডং’। কয়েক বছর আগে বিশ্বের সর্ববৃহৎ গুহার মর্যাদা পেয়েছে এটি। তবে দৈর্ঘ্য বিচারে বিশ্বের দীর্ঘতম গুহা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকির ‘ম্যামথ গুহা’। প্রায় ২০০ মিটার উচ্চতার ‘হাং সং ডং’ গুহার ৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রমের পর, নিউইয়র্ক শহরকে এই গুহার ভেতর সহজে স্থান দেওয়া যাবে। গুহার বিভিন্ন রহস্য, প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং বড় বড় পাথুরে দেয়ালের কারণে উদঘাটিত হয়নি। ২০১৩ সালে, হাং সং ডং গুহাকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। কেবল ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত অভিযান উন্মুক্ত থাকে। তবে এজন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং শারীরিক সক্ষমতা প্রয়োজন। টানা দুদিন চুনাপাথরের ভেতর দিয়ে স্বল্প অক্সিজেনের মধ্যে হাঁটতে হয়। গুহার মধ্যে রয়েছে গভীর জলাশয়, যা সাঁতার কেটে পাড়ি দিতে হবে। রহস্য হচ্ছে, অভিযানে গুহার এক-তৃতীয়াংশেরও কম স্থান ঘোরানো হয়। বাকি পথ দুর্গম এবং ঝুঁকিপূর্ণ। হাং সং ডং-এর পাশাপাশি চারপাশে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ছোট গুহা এবং জঙ্গল। অনুসন্ধানী বিজ্ঞানী দল, সব তথ্য জানতে পারেননি। বিশ্ববাসী এখনো জানেন না, ভবিষ্যতে কোন রহস্য অপেক্ষা করছে। অনুসন্ধানী বিজ্ঞানীদের ধারণা, সম্ভবত বিস্ময়কর তথ্য পাওয়া যেতে পারে গুহা থেকে।
বিশ্বের সর্ববৃহৎ গুহা ‘হাং সং ডং’
পাহাড়-পর্বত, বিস্তৃত সমভূমি ও নদীবহুল
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৬ এএম
আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৬ এএম
বিশ্বের সর্ববৃহৎ গুহা ‘হাং সং ডং’
×
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০