জনতার দলের মহাসচিব মো. আজম খানের মা শহীদ জননী মোছাম্মত খাতেমুন্নেছা খানমের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার বাদ আসর রাজধানীর বনানীতে জনতার দলের প্রধান কার্যালয়ে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া মরহুমার কবর জিয়ারত এবং গরিব ও এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।
মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে বক্তব্য দেন, জনতার দলের নৈতিক কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মাহবুব উল আলম, কৌশল ও পরিকল্পনা কমিটির চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) সাব্বির আহমেদ, মহাসচিব আজম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) জাকির হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) আবুল কালাম মো. জাকি এবং শ্রমিক জনতার দলের আহ্বায়ক আব্দুল বারেক। বক্তারা বলেন, ৭১-এর শহীদ জননী খাতেমুন্নেছা খানম ছিলেন একজন স্নেহময়ী মা, মানবিকতা ও নৈতিকতা মূল্যবোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নিবেদিতপ্রাণ একজন নারী। তার আদর্শ ও স্মৃতি পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি শুভাকাক্সক্ষীদের হৃদয়ে চিরদিন অমøান হয়ে থাকবে।
খাতেমুন্নেছা খানম ১৯৯৫ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকার গ্রিন রোডের বাসায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। মরহুমার ছয় ছেলের মধ্যে তিনজন বিমান ও নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। তিন ছেলে চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী। পাঁচ মেয়ের মধ্যে একজন স্কুলের প্রধান শিক্ষক, একজন ইডেন কলেজের প্রভাষক, একজন চাকরিজীবী ও দুইজন গৃহিণী। স্বাধীনতাযুদ্ধে খাতেমুন্নেছার দুই ছেলে বিমানবাহিনীর সার্জেন্ট শামসুল করিম খান (সিরাজ) ও মহাখালী পাবলিক হেলথ অফিসের চাকরিজীবী খান মো. ছগীর (ছগীর খান) শহীদ হন।