নীতিমালা প্রকাশ

২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির আবেদন

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:০৫ এএম

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু হবে, শেষ হবে ১০ সেপ্টেম্বর। আর নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর। অনলাইন আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।

গতকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা প্রকাশ করেছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আসনের ৭ শতাংশ কোটায় রাখা হয়েছে। কলেজগুলোর মোট আসনের বাকি ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে।

২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি-সংক্রান্ত পুনঃনিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের ফল পাওয়া শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নে ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে। ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চয়নের জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সব শেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।

ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী কোটার ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীনে দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি দিতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি দেখাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট আসন খালি রাখা যাবে না। মেধাতালিকা থেকে ওই আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে।

জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে। তা ছাড়া বিভিন্ন সালের গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত