রঙ-তুলিতে সম্প্রীতি ও স্বাধীনতা

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৪ পিএম

শিশু-কিশোরদের আঁকা ছবিতে উঠে এল দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রকৃতি, সম্প্রীতি ও স্বাধীনতার গৌরবময় নানা অনুষঙ্গ। নতুন প্রজন্মের মধ্যে এসব মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘সম্প্রীতি ও স্বাধীনতা’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগে সেরা ১২ জনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর ধানমণ্ডির নজরুল ইনস্টিটিউটে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে স্বাধীনতা সাংস্কৃতিক পরিষদ ও স্বাধীনতা চারুশিল্পী পরিষদ। সকাল থেকেই শিশু-কিশোরদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মুখর হয়ে ওঠে ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণ। রঙের সঙ্গে তাদের স্বপ্ন ও কল্পনার মেলবন্ধনে ক্যানভাসে ফুটে ওঠে বাংলাদেশের নানা রূপ। 

প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী অধ্যাপক জামাল আহমেদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি ক্ষুদে শিল্পীদের দেশ ও মানুষকে ভালোবেসে ছবি আঁকার আহ্বান জানান। সুন্দর জীবন গড়তে দেশের ইতিহাস ধারণের পাশাপাশি সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। প্রতিযোগিতাটি তিনটি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয় ছিল ‘আমাদের নদী’। চতুর্থ থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ছবি আঁকে ‘স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি’ বিষয়ে। আর অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয় ছিল ‘চেতনায় বাংলাদেশ’। তিনটি বিভাগে মোট ১২ জনকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সব শিশু-কিশোরের হাতেও তুলে দেওয়া হয় সনদপত্র।

আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। শিল্পচর্চার মধ্য দিয়ে শিশুদের মধ্যে দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও গভীর হবে বলে আশা তাদের। স্বাধীনতা সাংস্কৃতিক পরিষদের আহবায়ক ও স্বাধীনতা চারুশিল্পী পরিষদের সদস্য সচিব শিল্পী আশরাফুল আলম পপলু বলেন, শিশুদের মানসিক বিকাশের পাশাপাশি তাদের মধ্যে সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং মহান স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এ আয়োজন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত