আমতলীতে নদী থেকে সেই জেলের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

বরগুনার আমতলীতে ট্রলার থেকে পায়রা নদীতে পড়ে নিখোঁজের দুই দিন পর জেলে মো. ওমর আলী গাজীর (৫৫) ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৯ টার দিকে তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া এলাকা সংলগ্ন পায়রা নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার হয়। নিহত ওমর আলী গাজী আমতলী পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের লোচা এলাকার মৃত্যু আব্দুল হাকিম গাজীর ছেলে।
 
নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমতলী উপজেলার লোচা এলাকা সংলগ্ন পায়রা নদীতে ইলিশ ধরার জাল ও সরঞ্জাম তুলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নদীতে পড়ে যান। এরপর থেকে নিখোঁজ ওমর আলী গাজী। তার সঙ্গে থাকা অপর জেলে জলিলুর রহমান তাৎক্ষণিক চেষ্টা চালিয়েও তাকে উদ্ধার করতে পারেননি। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

পরবর্তীতে ওই ঘটনার দুই দিন পর আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে তালতলী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া এলাকা সংলগ্ন পায়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় জেলেরা। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসে নৌ-পুলিশ। পরবর্তীতে নিখোঁজ ওমর আলী গাজীর স্বজনেরা এসে তার মরদেহ শনাক্ত করেন।

জেলের ভাই আক্কেল আলী গাজী বলেন, আমার ভাই নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই আমরা নদীর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করছিলাম। আজ সকালে খবর পেয়ে তেঁতুলবাড়িয়া এলাকায় আসি। পেটে থাকা অপারেশনের দাগ দেখে মরদেহ শনাক্ত করেছি।

এ বিষয়ে তালতলী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র বলেন, উদ্ধার করা মরদেহটি নিখোঁজ জেলে ওমর আলী গাজীর বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত