মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে: মন্ত্রী

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম

রাষ্ট্রীয় সম্পদ কোনোভাবেই পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে তা রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি নতুন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সম্পত্তি ও পাহাড়ি জমি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আহমেদ আযম খান বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি স্থাপনা ও সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ কীভাবে রাষ্ট্রের কল্যাণে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদগুলো প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। এসব সম্পদ বিক্রি করে মন্ত্রণালয় ও ট্রাস্টকে ক্রমেই শূন্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রায় ১০ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এত বড় সম্পদ পরিত্যক্ত থাকলে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়। রাষ্ট্রের এই ক্ষতি আর হতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, ওই জায়গায় কী ধরনের নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা যায় এবং এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের কল্যাণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থানের সুযোগ কীভাবে সৃষ্টি করা যায়, তা বিবেচনায় নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। ঢাকায় ফিরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে রাষ্ট্রের স্বার্থ, স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান এবং ১০ একর জমির সর্বোত্তম ব্যবহার, এই তিনটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত