বরগুনার তালতলীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে চলছে নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক ল্যাবটি। নিবন্ধন নবায়ন না থাকা ও নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগে বরগুনা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে গত ২৬ আগস্ট উপজেলার নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক ল্যাবসহ চারটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের প্যাথলজির কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে এই নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবাধে চলছে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম।
বরগুনা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তালতলী উপজেলায় দুটি ক্লিনিক ও তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। রয়েছে। দুটি ক্লিনিক ও দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ সরকারি নীতিমালার বেশিরভাগ শর্তই মানছে না।
গত শনিবার বরগুনা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ফজলুল হকের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় চারটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যাক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মধ্যে নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলমান রেখেছে।
গত ২৭ তারিখে নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কয়েকটি প্যাথলজিস্ট পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেছে। গতকাল ২৮ তারিখও তাদের ল্যাবটি খোলা ছিল।
এ ব্যাপারে নিউ পপুলারের মালিক আবুল হোসেন জোমাদ্দার বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছুই জানি না। আপনি শেয়ার মালিক হারুন অর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শেয়ার মালিক হারুন অর রশিদ বলেন, বন্ধের এক দিন পরেই আমাদের চালুর অনুমতি দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাকিলা আক্তার বলেন, নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের পরের দিনই চালু করেছে। বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানিয়েছি।
সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ফজলুল হক বলেন, অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করলে তাদের নিবন্ধনের আবেদন বাতিলে সুপারিশ করা হবে মন্ত্রণালয়ে।
