গড়াপেটা রুখতে সক্রিয় বাফুফে

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২২, ১০:৪৬ পিএম

বেশ কিছুদিন ধরে ফুটবল অঙ্গন সরব বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ নিয়ে। বেশ কিছু ক্লাব, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা আছেন সন্দেহের তালিকায়। এ নিয়ে ভেতরে ভেতরে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। তারা পাঁচটি ক্লাবকে চিঠি দিয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলেছে। আর গতকাল বাফুফের পাতানো ম্যাচ শনাক্তকরণ কমিটি সভায় বসে বিষয়গুলো নিয়ে করণীয় নির্ধারণ করেছে। সভা শেষে স্পট ফিক্সিং, ম্যাচ পাতানো, জেনেশুনে ম্যাচের ফল পাল্টে ফেলার মতো অভিযোগ গভীর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক আমলা হুমায়ুন খালিদ।

ম্যাচ পাতানো প্রশ্নে বাফুফে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। হুমায়ুন খালিদ বলেন, ‘এভাবে আর চলতে দেওয়া যায় না। যেকোনো উপায়ে এটা থামাতে হবে। নইলে ফুটবলের জন্য খুবই খারাপ সময় আসবে।’

জুয়াড়িরা নানা উপায়ে ম্যাচ পাতাচ্ছে বলে জানান খালিদ, ‘পাতানোর ইস্যুটা বিভিন্ন ধরনের। কোনোটা ইন্টারন্যাশনালি কানেক্টেড। কোনোটা ঘরোয়াভাবে। তবে বাইরে থেকে সে রকম কোনো তথ্য-উপাত্ত এখনো আমরা পাইনি। বিষয়টি খুব সতর্কভাবে আমরা বিচার বিশ্লেষণ করে দেখছি। এর জন্য যেসব লোকজনের সঙ্গে কথা বলা দরকার, সবার সঙ্গেই কথা বলা হবে। আমরা চাই না কোনো তাড়াহুড়ো করতে। কারণ তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত যদি কোনো নির্দোষ ব্যক্তি বা ক্লাবের বিরুদ্ধে যায়, সেটা বড় ভুল হবে।’

বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ জানান, পাতানো ম্যাচ শনাক্তকরণ কমিটি আগামী ১৩ ও ১৬ এপ্রিল অভিযুক্ত ক্লাব কর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

এর আগে গত মাসে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপেক্ষিতে ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাব, গোপালগঞ্জ এসসি, কারওয়ান বাজার প্রগতি সংঘ, উত্তরা আজমপুর ক্লাব ও ফরাশগঞ্জ এসসিকে চিঠি দিয়ে তাদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চেয়েছে বাফুফে।

উল্লেখ্য, জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার সাইফুর রহমান মনি উত্তরা আজমপুর ক্লাবের কোচের দায়িত্ব ছেড়ে ক্লাবটির খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ করেন। একই অভিযোগে ক্লাবটির ম্যানেজারও দায়িত্ব ছাড়েন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত