বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কম ভোটার নিয়ে কাদের

ভোট না হওয়ার চেয়ে বরং এটা ভালো

আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৯, ০৩:০৪ এএম

ঢাকার সিটি নির্বাচনে কম ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘নির্বাচনটা বন্ধ থাকার চেয়ে নির্বাচনটা হয়েছে। সাম ফর্ম অব ডেমোক্র্যাসি ইজ বেটার দ্যান নো ডেমোক্র্যাসি। সাম ফর্ম অব ইলেকশন ইজ বেটার দ্যান নো ইলেকশন।’

গতকাল শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘ভোটার উপস্থিতি কম হওয়া সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতার কোনো বিষয় নয়। এসব বিষয় ওইভাবে না দেখে সামগ্রিকভাবে দেখতে হবে। ডেমোক্র্যাসি তো রাখতে হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়াও থাকতে হবে। সংবিধানও চলবে। নিয়মকানুন তো জলাঞ্জলি দেওয়া যাবে না।’

আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে গত বৃহস্পতিবার উপনির্বাচন হয়। এতে প্রায় আট লাখ ভোটের ব্যবধানে মেয়র নির্বাচিত হন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ভরাডুবির পর কারচুপির অভিযোগ তোলা বিএনপি ও তাদের সমমনাদের পাশাপাশি বামপন্থি দলগুলোও এ নির্বাচন বর্জন করে।

নির্বাচন কমিশনের হিসাবে, এ উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০১৫ সালে এ সিটির নির্বাচনে ৩৭ শতাংশের মতো ভোট পড়েছিল।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়কার ঢাকা সিটি নির্বাচনের চেয়ে এবারে ভোটারের উপস্থিত বেশি ছিল বলেও দাবি করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘দল না থাকলে উপস্থিতির ব্যাপারটা এমন হয়। কালকে আবহাওয়াও খারাপ ছিল। দুই-তিন দিন ছুটিতে অনেকে বাড়ি চলে গেছে। কিন্তু আপনাদের কি মনে আছে, ২০০১ সালে ঢাকা সিটি নির্বাচনের কথা। সেই সিটি নির্বাচনে তো টেন পার্সেন্ট লোক উপস্থিত ছিল। তাহলে তুলনা করেন যে ২০০১ সালে কী হয়েছিল। ওটা তো একেবারেই একটা ভোটারশূন্য নির্বাচন ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০১ সালে ১০ ভাগ ভোট নিয়ে সাদেক হোসেন খোকা মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার এত কিছুর পরও তুলনামূলক উপস্থিতি অনেক বেশি।’

দলের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও সদস্য এস এম কামাল হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত