বিদেশ পাঠাতে ঢাকায় নিয়ে গৃহবধূকে এক মাস ধর্ষণ

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:৪১ এএম

মাগুরার এক গৃহবধূকে বিদেশে পাঠানোর নামে ঢাকায় এনে একটি বাড়িতে এক মাস আটকে রেখে দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর দারুস সালাম এলাকা থেকে কৌশলে পালিয়ে এসে মাগুরা সদর থানায় মামলা করেছেন ওই গৃহবধূ। এ ঘটনায় সদর উপজেলার আমুড়িয়া গ্রাম থেকে প্রতারক চক্রের সদস্য নজরুল ইসলামকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর অভিযোগে জানা যায়, সংসারে অভাব অনটন থাকায় বিভিন্ন জায়গায় কাজ খুঁজছিলেন তিনি। এরই একপর্যায়ে নজরুল ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। নজরুল সৌদি আরবে লোক পাঠায় বলে জানায়। গৃহবধূ বিদেশ যেতে রাজি হলে পাসপোর্ট-ভিসা করে দেবে বলে গৃহবধূর থেকে ৩৫ হাজার টাকা নেয় নজরুল। গত ১৩ আগস্ট নজরুল পাসপোর্ট, ভিসা ও প্রশিক্ষণের কথা বলে মাগুরা সদরের লস্করপুর নানাবাড়ি থেকে তাকে ঢাকার দারুস সালাম থানার পাশে মোকাররমের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে আটকে রেখে নজরুল, মোকাররম, আরজু শেখসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও দুজন তাকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর ভোরে ওই বাসা থেকে কৌশলে পালিয়ে মাগুরায় ফিরে আসেন গৃহবধূ।

এ ব্যাপারে মাগুরা সদর থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, গৃহবধূর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

চুয়াডাঙ্গায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ : চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ির অদূরে একটি মাঠের শ্যালোমেশিন ঘরে তাকে ধর্ষণ করা হয়। রাতে শিশুকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে পরিবারের সদস্যরা। ঘটনা জানাজানির পর থেকে পলাতক রয়েছে আহম্মেদ আলী নামে এক বখাটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পাইকপাড়া গ্রামের দরিদ্র দিনমজুরের শিশুকন্যা বিকেলে বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় গ্রামের আহম্মদ আলী মুরগি ধরে দেওয়ার নাম করে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ওই শিশুকন্যা বাড়িতে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে আহম্মেদ আলীকে আটকের চেষ্টা করলে সে পালিয়ে যায়।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আবু এহসান মো. ওয়াহেদ রাজু জানান, রাত ১১টার কিছুটা পর আমরা ওই শিশুটিকে ভর্তি করি। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গাইনি কনসালট্যান্ট তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি আসাদুজ্জামান মুন্সি জানান, শিশু ধর্ষণের ঘটনাটি আমরা শুনেছি। ধর্ষককে গ্রেপ্তারে আমরা ইতিমধ্যে অভিযান শুরু করেছি। খুব শিগগিরই ধর্ষক আইনের আওতায় আসবে।

খুলনায় গৃহবধূ দল বেঁধে ধর্ষণের শিকার : খুলনায় গহনা তৈরির টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে এক গৃহবধূ দল বেঁধে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গত বুধবার রাত ৮টার দিকে নগরীর নিরালার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গত বৃহস্পতিবার রাতে মামলা হলে বিষয়টি জানাজানি হয়। গতকাল শুক্রবার অভিযান চালিয়ে আল-হেলাল শেখ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

খুলনা সদর থানার ওসি আসলাম বাহার বুলবুল বলেন, ওই গৃহবধূর কাছে গহনা বানানো বাবদ ৩ হাজার ৬০০ টাকা পেত স্বর্ণকার সুদেব দাস। সুদেব ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ডাক্তার দেখাতে যাবে বলে ফোনে ওই টাকা দেওয়ার জন্য বলে। পরে ওই গৃহবধূ দুই হাজার টাকা জোগাড় করে তাকে দিতে চাইলে সে নিরালার প্রান্তিকার একটি বাড়িতে আসার জন্য বলে। সেখানে আগে থেকে সুদেবসহ তার সহযোগী ইয়াসিন শেখ, মো. বরণ ও আল-হেলাল শেখ তাকে বাড়ির দোতলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। এরপর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে গৃহবধূকে ঘরের মধ্যে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত