মেস ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়ির মালিকদের যশোর পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ছেলের বয়স ১৮ বছরের বেশি হলে মেয়েদের মেস ভাড়া দিতে পারবেন না। তবে আলাদা বাড়ি থাকলে সমস্যা নেই। এ ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে নারী আনসার সদস্য নিয়োগ দিতে হবে। ছেলেদের মেসে সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি-সেবী ও জঙ্গির অস্তিত্ব পাওয়া গেলে মালিককে দায় নিতে হবে। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে ওই মেস। প্রত্যেক মেসের ডেটাবেজ রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। অনেক সময় জোর করে মেসের ছাত্রছাত্রীদের মিছিলে নিয়ে যাওয়া হয়। যদি স্বেচ্ছায় যায় তাহলে পুলিশের আপত্তি নেই। কিন্তু বাধ্য করা হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। প্রয়োজনে মেসের ছাত্রদের ডোপ টেস্ট করা হবে।
গতকাল শুক্রবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রব্বানি জানান, পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেনের নির্দেশে তিনি শহরের শতাধিক মেসমালিককে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার বৈঠক করেছেন। বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় মেসমালিকদের উদ্দেশে বলা হয় সন্ত্রাস, জঙ্গি, মাদক, চাঁদাবাজ, ইভটিজিংকারী, কিশোর গ্যাংসহ অপরাধীরা মেস বা বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছে। ভাসমান অপরাধীরা সাধারণত হোটেল অথবা মেসে উঠে অপরাধ করে থাকে। মহিলা মেসে বখাটেদের উৎপাত চলে। এ ক্ষেত্রে বাড়ির মালিক পুলিশের সহযোগিতা নেবেন। প্রয়োজনে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করবেন। মেসে বসবাসকারীদের ছবিসহ ডেটাবেজ তৈরি করে তা পুলিশের বিশেষ শাখার এসআই জাহিদ হোসেনের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।
