তনু হত্যা মামলা পিবিআইতে

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২০, ০৩:২৮ এএম

কুমিল্লার চাঞ্চল্যকর কলেজ শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের সাড়ে চার বছর পর ফের মামলার তদন্তকারী সংস্থা বদল হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সিআইডি কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনামুল হক জানান, তাদের থেকে মামলাটির তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) দেওয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি জঙ্গল থেকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিকর্মী তনুর লাশ উদ্ধার করা হয়। সে সময় নিহতের পরিবার জানায়, সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় প্রাইভেট পড়াতে যায় তনু। রাতে ফিরতে দেরি দেখে স্বজনরা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে জঙ্গলে লাশ পান।

পরের দিন বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতদের আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা ও ডিবি মামলাটি তদন্ত করে। পরে ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে তদন্তভার পায় সিআইডি কুমিল্লা।

লাশ দাফনের আগে এবং আদালতের নির্দেশে তনুর দুদফা ময়নাতদন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে হলেও মৃত্যুর স্পষ্ট কারণ জানা যায়নি। তনুর মায়ের সন্দেহভাজন হিসেবে সর্বশেষ তিনজনকে ২০১৭ সালের ২৫ থেকে ২৭ অক্টোবর ঢাকা সেনানিবাসে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডির একটি দল। তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন সিআইডি কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জালাল উদ্দীন আহমেদ। তবে এখন পর্যন্ত এ মামলায় কোনো আসামি শনাক্ত হয়নি।

এ বিষয়ে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, ‘চার বছর সিআইডি তদন্ত করার পর পিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত রবিবার পিবিআই সদস্যরা কুমিল্লা সেনানিবাসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর আমাদের সঙ্গে দেখা করেন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত