বেনাপোলে রাজস্ব ফাঁকি

সাত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্স বাতিল

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০২০, ১১:০৮ পিএম

বেনাপোল স্থলবন্দর গত ১৫ দিনে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ৫ কোটি টাকার পণ্য চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তবুও থামানো যাচ্ছে না রাজস্ব ফাঁকির প্রবণতা। রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে এরই মধ্যে সাতটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্স বাতিল করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল কাস্টম হাউজ থেকে চলতি অর্থবছর ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। কিন্তু একটি অসাধু চক্র এ লক্ষ্যপূরণে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কঠোর হয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় লাইসেন্স বাতিল করা সাত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হচ্ছেÑ রিমু এন্টারপ্রাইজ, তালুকদার এন্টারপ্রাইজ, এশিয়া এন্টাপ্রাইজ, সানি ইন্টারন্যাশনাল, মদিনা এন্টারপ্রাইজ (ভাড়ায় খাটানো হয়), মুক্তি এন্টারপ্রাইজ, রিয়াংকা এন্টারপাইজ। কমিশনার আজিজুর রহমানের নির্দেশে বেনাপোল কাস্টমসের ডিপুটি কমিশনার অনুপম চাকমা চালানগুলো আটক করেন।

চকলেটের চালানে শাড়ি, ব্লিচিং পাউডারের চালানে কফি ও ওষুধ, মেশিনারি পার্টসের ভেতর প্যাডলক ও রেক্সিন, ঘোষণাতিরিক্ত ১৯ টন মাছ সম্প্রতি আটক করা হয়। জরিমানা বাবদ এসব চালান থেকে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। জব্দ করা পণ্যগুলোর নিলাম প্রক্রিয়া শুরু করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি বেড়েই চলছে। কখনো কাস্টমস-বন্দরকে ম্যানেজ করে আবার কখনো বিভিন্ন পরিচয়ে হুমকিধমকি দিয়ে চলছে অবৈধ কার্যক্রম। মাঝেমধ্যে দুয়েকটি চালান আটক হলেও অধিকাংশই থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

বেনাপোল কাস্টমসের কমিশনার মো. আজিজুর রহমান বলেন, আমরা এরই মধ্যে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে অনেক প্রতিষ্ঠানের সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স বাতিল করেছি। মিথ্যা ঘোষণায় যেসব পণ্য আমদানি হচ্ছে তাদের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স সাময়িক বাতিল ও পণ্যগুলো জব্দ করেছি। তিনি আরও জানান, রাজস্ব ফাঁকি রোধে বেনাপোল কাস্টম হাউজ জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত