বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১১ জুলাই ১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর দিনে তাকে স্মরণ করেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস।
মার্কিন দূতাবাস তাদের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘আজকের এই দিনে আমরা হারিয়েছি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি আল মাহমুদকে। বাংলা ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দমন পীড়ন এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম বিষয়ে তার লেখাগুলো তার অনুসারী বাংলাদেশিদের কাছে মূল্যবান ছিল।
আমরা তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি।’
আল মাহমুদ একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্পকার, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন।
তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২-১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
১৯৫০-এর দশকে যে কয়েকজন লেখক বাংলা ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ, রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে লিখেছেন তাদের মধ্যে মাহমুদ অন্যতম। লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালি কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
