চট্টগ্রাম এখন ফ্লাইওভারের নগরী। আর এই ফ্লাইওভারের সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বহদ্দারহাট মোড়ে প্রথম ফ্লাইওভার নির্মাণের পর মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়। আর এটা শেষ না হতেই শুরু হয় লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ। ২০২৪ সালেই হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে পারে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের। চট্টগ্রামের এত উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের প্রতি আন্তরিক। আর তাতেই এত উন্নয়ন প্রকল্প। শুধু এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নয়, সাগর পাড়ের আউটার রিং রোড, বায়েজীদ বাইপাস, চাক্তাই থেকে কালুরঘাট পর্যন্ত কর্ণফুলী তীরঘেঁষে চার লেন রোড, বাকলিয়া এক্সেস রোড, কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল ও জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগা প্রকল্পের সবই প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে। আগামীতে হয়তো আরও প্রকল্পেরও সূচনা হবে।’ তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেশি জানেন। ইতোমধ্যে তিনি মেট্রোরেল বাস্তবায়নের জন্য সমীক্ষা শুরুর জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন এবং কালুরঘাট সেতুর বিষয়েও তিনি পজিটিভ।’
×
