প্রবল চাপের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতি। অর্থনৈতিক মন্দা গ্রাস করছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশকে। বিশেষ করে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবস্থা নাজুক। আর অনুন্নত এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্বল দেশগুলোর অর্থনৈতিক চিত্র কেমন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ‘ডলার’ যখন বিশ্ববাজারের নিয়ন্ত্রক, তখন এর পতন সরাসরি আঘাত হানে- অর্থনীতিতে। কারণ পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে, ‘আমদানি-রপ্তানি’ নিয়ন্ত্রিত হয় ডলারের মাধ্যমে। সেই ডলারের যখন ঘাটতি দেখা দেয়, স্বাভাবিকভাবেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তৈরি করে অর্থনৈতিক কৌশল। জাতীয় অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই কৌশলের বিকল্প নেই। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোনো কৌশলেই আর কাজ হয় না। বাধ্য হয়ে সরকারকে অনেক কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে ডলারের চাপ যখন একটি দেশের জনগণের চিকিৎসাব্যবস্থায় সরাসরি আঘাত করে, তখন বিষয়টি দুশ্চিন্তার হয় বৈকি!
পড়ুন: জীবন বাঁচে অর্থমূল্যে
ডলার সংকট এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতিতে। প্রায় সব খাতেই খরচ বেড়েছে। নীরবে মূল্যবৃদ্ধির এ ধাক্কা সামলাতে গিয়ে বেসামাল স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে মধ্যবিত্ত পর্যন্ত।
আর্থিক সংকটে অনেকে বাধ্য হয়েই পরিবারের নিয়মিত অনেক খরচ কাটছাঁট করেছে। ডিম, বড় মাছ, মাংস, দুধসহ অনেক কিছু নিয়মিত খাবারের তালিকা থেকে হয় বাদ দিয়ে, না হয় কমিয়ে দিয়েছে। সে তালিকায় যোগ হয়েছে কম দামি খাবার।
খরচ বেড়ে যাওয়ায় অন্য খাতে কাটছাঁট করতে গিয়ে অনেকে পাারিবারিক অনুষ্ঠান ও মেহমান দাওয়াত দেওয়া কমিয়ে দিয়েছে। অনেকে আপতত এসব আয়োজন বন্ধ রেখেছে।
পড়ুন: পাতে কমছে মাছ মাংস ডিম
সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার নতুন দুয়ার নগর পরিবহনে মেট্রোরেল উন্মোচন করেছে। বৈদ্যুতিক ট্রেনের যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এত কিছুর পরও রাজধানীরজুড়ে সড়কে এখনো দাপিয়ে বেড়ায় ফিটনেসবিহীন বাস। এই নিম্নমানের বাসগুলোর দিকে তাকালে দেশের এবং দেশের বাইরে থেকে আসা অনেকেই ভাবতে পারেন বাংলাদেশে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হলেও সেকালের গরিবি বাসে সয়লাব শহরজুড়ে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্র্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে নানা সময় বাসগুলো বন্ধের নির্দেশনা দিলেও সেভাবে মনিটরিং না করায় বছরের পর বছর বাসগুলো সড়কে চলছে। তবে বাস মালিক সমিতি থেকে এই মাসে বাসগুলো বন্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছেন সমিতির নেতারা।
পড়ুন: মেট্রোরেলের শহরে গরিবি বাস
কেউ কেউ সবসময় খুঁজে ফেরে পাদপ্রদীপের আলো, কেউ থাকতে ভালোবাসেন নিভৃতচারী হয়ে। সৈয়দ আশরাফুল হক দ্বিতীয় দলের মানুষ। ক্রিকেট খেলেছেন, ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন সর্বোচ্চ পর্যায়ে, এখনো ক্রিকেট প্রশাসনের সঙ্গেই জড়িয়ে আছেন। কিন্তু কখনোই এই নিয়ে তাকে আত্মম্ভরী কথাবার্তা বলতে শোনা যায়নি। বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদাপ্রাপ্তির পেছনেও সৈয়দ আশরাফুল হকের ক্রিকেট কূটনীতির অবদান অনেক। অথচ নিভৃতচারী এই মানুষ বলতে গেলে হারিয়েই গেছেন দেশের ক্রিকেট অঙ্গন থেকে, যেখানে এখন শুধুই মৌসুমি ক্রিকেটপ্রেমীদের দাপট।
পড়ুন: ক্র্যাক প্লাটুনের বন্ধু ডালমিয়ার ডানহাত
পবিত্র শবেমেরাজ আজ। আজ শনিবার রাতে মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদে মসজিদে, নিজ গৃহে কিংবা ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোরআনখানি, জিকির-আজকার এবং ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে পবিত্র শবেমেরাজ উদযাপন করবেন।
পড়ুন: আজ পবিত্র শবেমেরাজ
মেরাজের ঘটনা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিরাতের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রতিটি মুমিনের ইমান ও আবেগ জড়িয়ে আছে এর সঙ্গে। এ ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করণীয় আছে। সর্বপ্রথম যে করণীয় তা হচ্ছে, মেরাজের ব্যাপারে সহিহ আকিদা পোষণ করা। অর্থাৎ আল্লাহতায়ালা হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক রাতে সশরীরে মক্কা থেকে বাইতুল মোকাদ্দাস এবং সেখান থেকে সাত আসমান, সিদরাতুল মুনতাহা, জান্নাত, জাহান্নাম ভ্রমণ করিয়েছেন; আল্লাহতায়ালা স্বীয় বড় কিছু কুদরত প্রিয় হাবিবকে দেখাবেন বলে। এটা নবী জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মুজেজা, যা মুসলমানের অকাট্য মৌলিক আকিদার অংশ। অবিচ্ছিন্ন সূত্র পরম্পরায় তা স্বীকৃত ও সুসাব্যস্ত। তাই এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছ বিশ্বাস রাখা জরুরি।
পড়ুন: মেরাজের শিক্ষা
মেরাজের ঘটনাটি মূলত মহান আল্লাহর কুদরতের বহিঃপ্রকাশ এবং তার হাবিব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মানে আয়োজিত একটি অলৌকিক ভ্রমণ। হিজরত-পূর্ব মক্কি জীবনের কোনো এক রাতে দুই পর্বে বিভক্ত এই ভ্রমণের আয়োজন হয়। প্রথম পর্ব মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত, এটাকে বলে ‘ইসরা’। দ্বিতীয় ও মূল পর্ব সেখান থেকে ঊর্ধ্বাকাশে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত ভ্রমণ, এটাকে বলা হয় ‘মেরাজ’। পবিত্র কোরআন-হাদিসের অকাট্য প্রমাণাদি এবং পঁচিশজন সাহাবির বর্ণনা দ্বারা নবী করিম (সা.)-এর জাগ্রত অবস্থায় দৈহিক মেরাজ প্রমাণিত। সশরীরে এমন ভ্রমণ সংঘটিত হওয়াই ছিল নবী করিম (সা.)-এর শ্রেষ্ঠ মোজেজা, যা এই ভ্রমণকে অলৌকিক এবং অসাধারণ করে তোলে। সংশয়বাদীদের সন্দেহের কেন্দ্রও এটাই। দৈহিক এই ভ্রমণকে অসম্ভব বলে মক্কার কাফেররা যাচাই-বাছাইয়ের পেছনে পরে। ঘটনা প্রমাণে তারা বিভিন্ন দলিল তলব শুরু করলে একপর্যায়ে আল্লাহতায়ালা মসজিদে আকসাকে নবীজির (সা.) দৃষ্টির সামনে ভাসিয়ে তোলেন আর তিনি দেখে দেখে সব বিবরণ দিতে থাকেন।
পড়ুন: অলৌকিক ভ্রমণের প্রস্তুতি
১৯ বছর আগে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে একই পরিবারের ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি হয়। সেই ঘটনায় করা মামলার বিচার এখনো শেষ হয়নি। ৫৭ সাক্ষীর মধ্যে জবানবন্দি দেওয়া বাকি আছে ৩৪ জনের। আসামিদের মধ্যে ২০-২২ জন গ্রেপ্তার হলেও এখন জামিনে আছেন। গ্রেপ্তার করা যায়নি অন্তত ১৫ জনকে।
পড়ুন: আদালতের দুয়ারে ১৯ বছর
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে লেখক, প্রকাশক, পাঠক ও দর্শনার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল অমর একুশের বইমেলা। গতকাল শুক্রবার শিশুপ্রহর নির্ধারিত থাকায় সকাল থেকেই সব বয়সী বইপ্রেমীদের ঢল ছিল মেলায়। ১১টায় মেলা দর্শনাথীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। মেলার দুয়ার খোলার আগে থেকেই শিশু-কিশোরদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে প্রবেশপথে। সকাল থেকেই খুদে বইপ্রেমীদের আনাগোনায় মুখরিত ছিল মেলা প্রাঙ্গণ।
পড়ুন: ছুটির দিনে পাঠকের জোয়ার
বিএনপি নেতা, ঢাকার সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা খেতে পছন্দ করতেন ফল আর মুড়ি-চানাচুর মাখা। সংবাদ সংগ্রহের কাজে তার বাসায় ঢুকে বিপুল পরিমাণ খাবারের চক্করে পড়তে হয়েছে বহুবার। আরেক প্রয়াত রাজনীতিক কাজী জাফর আহমেদ পছন্দ করতেন রসমালাই খেতে। রাজনীতির উত্থান-পতনের খবর সংগ্রহ করার জন্য রাত-বিরেতে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমু অথবা আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর বাড়িতে ঢুকে না খেয়ে ফিরেছেন এমন রাজনৈতিক সংবাদাতার সংখ্যা কম। তবে আরেক প্রয়াত রাজনীতিবিদ আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার দপ্তর অথবা বাড়িতে টোস্ট বিস্কুট আর চা সংবাদপত্রের রাজনৈতিক বিটের রিপোর্টারদের কাছে একদা আলোচনার বিষয় ছিল।
পড়ুন: রাজনৈতিক খাবার
পুঁজিবাদী বিজ্ঞান সভ্যতার ঔদ্ধত্যের বুকে প্রচণ্ড পদাঘাত হানল করোনাভাইরাস বা কভিড। একুশ শতকের মানবসভ্যতা ভুলেও কল্পনা করেনি, থরথর বুক কাঁপানো নিকষ অন্ধকার মৃত্যুর হুংকারের সামনে সে পতিত হবে। চিকিৎসাবিজ্ঞানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আসমান-ছোঁয়া সম্পদের পাহাড় নির্মাতা এবং ক্ষমতার মদেমত্ত ৫৬ ইঞ্চি বুকের পাটাওলাদের দুয়ার ঠেলে অন্দরমহলে ঢুকে যাবে কভিড, কে কবে ভেবেছে? লন্ডভন্ড করে দিয়েছে বিশ্ব অর্থনীতি, রাজনীতি। কভিড থামছে না। থামানো যাচ্ছে না। এ যেন অশ্বমেধ যজ্ঞের ঘোড়া। ছুটছে তো ছুটছে পর্বত-সমুদ্র পেরিয়ে গোলার্ধেও, যেখানে রয়েছে মানব প্রজাতি নামক প্রাণী। পৃথিবীর হাজার-লাখো হেক্টর ভূমি দখল করছে আগুনতি গণকবর। গণদাহের অনির্বাণ আগুন ছুঁয়েছে নন-সেমেটিক ধর্মের দেশ, চীন-ভারতের মতো অপরাপর ভূখণ্ডে। সেমেটিক ধর্মানুসারীদের লাখ লাখ কঙ্কাল বাংলাদেশ-আমেরিকা-ব্রিটেন-আর্জেন্টিয়ার মাটির কবরে তৈরি করছে কঙ্কালের রাজ্য।
পড়ুন: ‘করোনা’, সভ্যতার সামাজিক মহা-অভিঘাত
একুশের পোশাকে সবার প্রথমে আসে রঙ। প্রধান বিষয় হচ্ছে বাংলা ভাষার জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন সেসব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা বোঝাতে সাদা ও কালো রঙ। এ দুটো রঙ ছাড়া একুশকে কোনোভাবেই প্রকাশ করা যায় না। নকশায় নিত্যনতুনত্ব আনতে পোশাকে সাদাকালো রঙের ব্যবহারের পাশাপাশি শুরু হয়েছে একুশের মোটিফ, কবিতা, স্লোগান ও বর্ণমালা। পোশাকের অবয়ব অলংকরণে নানাভাবে বর্ণমালাকে মোটিফ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। একুশের পোশাকে দেশীয় রীতি ধরে রাখতে শাড়ি, কামিজ, কুর্তা, ফতুয়াকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। পোশাকের নকশায় মাধ্যম হিসেবে আছে ব্লকপ্রিন্ট, স্ক্রিনপ্রিন্ট, মেশিন ও হ্যান্ড এমব্রয়ডারি। পোশাকে সাদা-কালো রঙের ব্যবহার প্রসঙ্গে নিত্য-উপহারের কর্ণধার বাহার রহমান বলেন, ‘পোশাকে কালো রঙের ব্যবহার কারণ বাংলা বর্ণমালা আমরা কালো কালিতে লিখি, আবার শোক হিসেবেও কালো রঙ ব্যবহার হয়। একুশের রক্তাক্ত ইতিহাস, তাই লাল যোগ হয়েছে। আর শুদ্ধতার প্রতীক সাদা রঙকে সমতল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আগে একুশকে শুধু শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। কিন্তু এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও। তাই এই অর্জনকে বোঝাতে লাল রঙ যোগ করা হয়েছে।’
পড়ুন: উদযাপনে একুশ পোশাকে বর্ণমালা
ডাল উদ্ভিজ্জ আমিষের একটি প্রধান উৎস। যদিও গুণগত মানের দিক থেকে প্রাণিজ আমিষ উদ্ভিজ্জ আমিষের তুলনায় ভালো। ডালের আমিষ গরুর মাংস বা খাসির মাংসের চেয়ে অনেক গুণে ভালো, কারণ ডালে ক্ষতিকর সম্পৃক্ত ফ্যাট নেই বললেই চলে। আমাদের দেশে নানান রকমের ডাল পাওয়া গেলেও মসুর, মুগ, কালাই ও ছোলাই বেশি জনপ্রিয়। বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের একটি ভালো দিক হচ্ছে ডালের ব্যবহার। প্রাচীনকাল থেকেই এখানকার মানুষ ভাতের সঙ্গে ডাল খেয়ে আসছেন। একটি মজার বিষয় হলো, ভাত ও ডাল একসঙ্গে খেলে ডালের আমিষের গুণগত যে ঘাটতি থাকে তা পূরণ হয়ে যায়। সেজন্যই ছোট শিশুদের ডাল-চালের খিচুড়ি খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। ডাল ছোট-বড় সব বয়সের মানুষের জন্য সমান উপযোগী ও স্বাস্থ্যকর একটি খাবার।
পড়ুন: সুস্বাস্থ্যের জন্য ডাল
বলিরেখা যখন চোখের নিচের অংশে আসে তখন বিশেষ যত্নের প্রয়োজন পড়ে। বলিরেখা ও দাগ দূর করতে চোখের যত্নের সাধারণ রুটিন অনুসরণ এবং নির্দিষ্ট পণ্যগুলো ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।
পড়ুন: চোখের ত্বকেরও যত্ন চাই
একসময়ের ঢালিউডের পর্দা কাঁপানো চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের হাতে এখন সিনেমার কাজ খুব একটা নেই। টুকটাক যা ব্যস্ততা তাও নিজের প্রযোজনায় সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘লাল শাড়ি’ নিয়ে। তারকারা কাজের মাধ্যমেই ভক্তদের কাছে নিজের আগ্রহ ধরে রাখেন। আর আগ্রহ হারিয়ে গেলে বিপদ! ক্যারিয়ারই হুমকির মুখে পড়ে। সে কথা অজানা নয় অপু বিশ্বাসের। তাই তো কাজ না থাকলেও কীভাবে আলোচনায় থাকা যায় সেটি তিনি ভালোই জানেন।
পড়ুন: আলোচনায় থাকার চেষ্টা অপুর!
দায়িত্বশীলদের দৈনিক দেশ রূপান্তরের সর্বশেষ খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন। সঙ্গে থাকুন এগিয়ে থাকুন। ধন্যবাদ।