সোহেল হাসান গালিবের ‘সাহিত্যের জনপ্রিয়তা ও দরিদ্রের উন্নয়ননাট্য’ লেখাটি প্রকাশিত হয় ধ্রুপদি নবম সংখ্যায়।
‘‘এই লেখাটারই দরকার ছিল। মানে রাইসু-স্টাইলে ‘ফালতু’-টালতু না। এমন। এবং এর অনুবর্তন দরকার। মানে, আখ্যানকারদের কথা ছেড়ে দিচ্ছি। তাদের কারও-কারও জনপ্রিয়তার সুলুকসন্ধান নিষ্প্রয়োজন, সে সব তাদের লেখার সঙ্গে আমপাঠকরুচির অন্বয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। চাহিদা-জোগান, প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ। কিন্তু কবিতার জনপ্রিয়তা? সেটাও, সত্তর-অবধি ওরকমই ছিল। নৈলে গুণ? হাউ ইন দ্য ওয়ার্লড? হেলাল হাফিজও তাই। মহাদেব কী অসীম কী অমুক কী তমুক... রাহমানেরও জনপ্রিয় কবিতা কোনগুলো দ্যাখেন, বা রফিক আজাদ বা আলাউদ্দিন আল আজাদ...
কিন্তু আজ যারা জনপ্রিয়, তথা মারজুক, ইমতিয়াজ বা রোবায়েত... তাদের জনপ্রিয়তা কি সত্তর শ্রেণির? মানে, শুধুই কি তাই? না, বোধ হয়। এ কেবলই রুচির অন্বয় নয়, নানা অন্য কার্যক্রমও এতে আছে, যে সব এই কালেরই অবদান। কবিরা এই কালের, এই মিডিয়াধিপত্যের কালের নানা তৎপরতায় ঠিকমতো পাল তুলতে পারলে তবেই জনপ্রিয়তার প্রশ্ন এমনকি ওঠে। না হলে কবিতা লেখে গাধার পাল, যাদেও লেখাপড়া দূর হোক, তাদের নাম জানবার ফুরসত কারও নাই আর। সকলে মিডিয়া-ব্যস্ত।”
