নিজেদের কাছে হার নিজেদের দায়ে

আপডেট : ২৭ মে ২০২৩, ০৬:০৭ এএম

গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পরাজয় নিয়ে নানা কাটাছেঁড়া হচ্ছে। এই পরাজয় দলের জন্য সতর্কবার্তা কি না, সেই আলোচনাও হচ্ছে। এই কাটাছেঁড়া আর আলোচনার বিষয় আওয়ামী লীগই। কারণ আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়রের মায়ের কাছেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী হেরেছেন। ফল ঘোষণার পর বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুনের ছেলে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ‘নৌকা জিতেছে, ব্যক্তি হেরেছে।’

যদিও ক্ষমতাসীন দলের সভাপতিমন্ডলীর এক নেতা বলছেন, বিএনপি-জামায়াতের ভোটে জায়েদা খাতুন জিতেছেন। তবে সভাপতিমন্ডলীর আরেক সদস্য বলেছেন, আজমত উল্লা খানকে পরাজিত করে জানান দিয়েছে ক্ষমতায় থেকে সৃষ্টি হওয়া ‘আওয়ামী লীগ’ অনেক শক্তিশালী।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের একাধিক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে আরেকটি ‘আওয়ামী লীগ’ জন্ম নিয়েছে। প্রথমেই দলে ঢুকে, এরপর নিজেদের ভিত শক্ত করে পদ-পদবি বাগিয়েছে স্বার্থান্বেষী একদল লোক। তারা আর্থিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তারাই দলের ভেতর দল, ঘরের ভেতর ঘর তৈরি করা শুরু করে এবং এখন তাদের সংখ্যায়ও এখন অনেক বেশি হয়ে গেছে।

আওয়ামী লীগের ওই নেতারা দাবি করেন, ২০১২ সালের পরে আওয়ামী লীগের ভেতরে বেড়ে ওঠা এ ‘আওয়ামী লীগ’ নিজেদের শক্তিশালী করার সুযোগ পায়। তখন দল বদল করার হিড়িক পড়ে, আওয়ামী লীগ তাদের নৌকায় তুলে নেয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে এখন আমি কিছু বলব না।’ তবে খুব শিগগির দলের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা হবে, সেখানে বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হবে বলে তিনি জানান।

ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাংশ দাবি করেন, আজমতের মতো পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রার্থীকে হারিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করেছে ক্ষমতায় থেকে সৃষ্টি হওয়া ‘আওয়ামী লীগ’। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও গাজীপুর সিটির দৃষ্টান্ত টেনে মনোনয়ন বোর্ডকে চাপে ফেলবে এই ‘আওয়ামী লীগ’। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এ নেতারা আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রভাবশালী একটি অংশ ক্ষমতার সাধ পেয়ে ‘আওয়ামী লীগ’ হওয়াদের পৃষ্ঠপোষকতা করে দলে ক্ষমতাশালী হয়েছেন। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে, দলে নিজের ভিত্তি মজবুত করতে ক্ষমতা ও পদ দিয়ে  তাদের পুষেছেন অনেকেই।

গাজীপুরের ভোট পর্যালোচনা করে কাজী জাফরউল্যাহ দেশ রূপান্তরকে আরও বলেন, ‘আমাদের প্রার্থী আজমত উল্লা দেখা যায় মাত্র আড়াই শতাংশ ব্যবধানে জিতেছে। এতে বোঝা যায় আওয়ামী লীগের সবাই ভোট দিয়েছে। অপর প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন জিতেছেন বিএনপি-জামায়াতের ভোটে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় ৬ লাখ ভোটার ভোট দিয়েছে। জাতীয় পার্টির ভোট তাদের প্রার্থী পেয়েছে। ইসলামি আন্দোলনের ভোট তাদের প্রার্থী পেয়েছে। বিএনপি-জামায়াত ঐক্যবদ্ধ হয়ে জায়েদা খাতুনকে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে হারিয়েছে। নৌকাকে হারানোর এটাই ছিল তাদের অন্যতম লক্ষ্য।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর এক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, দলের ভেতর দল তৈরি করা ‘আওয়ামী লীগ’ সারা দেশেই এখন অনেক শক্তিশালী। গত বৃহস্পতিবার গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আজমতউল্লা খানকে পরাজিত করে জানান দিয়েছে ক্ষমতায় থেকে সৃষ্টি হওয়া ‘আওয়ামী লীগ’ অনেক শক্তিশালী।

গাজীপুর সিটির ভোটের ফলাফলে দলের কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা হয় দেশ রূপান্তরের এ প্রতিবেদকের। ভোটে হারার কারণ বলতে গিয়ে ক্ষুব্ধ ওই অংশটি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ক্ষমতায় থেকে সৃষ্টি হওয়া ‘আওয়ামী লীগ’ই হারিয়েছে আওয়ামী লীগকে। তারা দাবি করেন, দল মনোনীত মেয়র প্রার্থী আজমতউল্লা খানের পরাজয়ের ভেতরের একমাত্র কারণই এটি। তৃণমূল আওয়ামী লীগের সিলেট, টাঙ্গাইল, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে গাজীপুর সিটির ভোট নিয়ে পর্যালোচনায় বিষয়গুলো তুলে ধরলেও নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি তাদের অনেকেই।   

আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর আরেক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গাজীপুরকে দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ হিসেবে একসময়ে ধরা হতো। সেই অঞ্চলকে নব্য আওয়ামী লীগ দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে ২০১৩ সালে গাজীপুরে প্রথম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। বলা হয়, তখনো আজমতকে হারানো হয়েছে জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্ব গড়ে ওঠা আওয়ামী লীগ। সেখানে বলা হয়, আওয়ামী লীগের চেয়ে “জাহাঙ্গীর লীগ” শক্তিশালী। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নিজের মা জায়েদা খাতুনকে মেয়র পদে জিতিয়ে এনে ‘জাহাঙ্গীর লীগ’ই গাজীপুরে শেষ কথা, এটা প্রমাণ করেছে।’

আওয়ামী লীগের সম্পাদকম-লীর এক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, জাহাঙ্গীর আলমকে আজকের এ জায়গায় নিয়ে এসেছে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা। ২০১৩ সালেও তারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। ২০১৮ সালে মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়ে মেয়রও বানিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতাদের ওই অংশটি। এর আগে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয় দলীয় সিদ্ধান্ত শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী নেতা জাহাঙ্গীর আলমকে। গাজীপুরে সিটি ভোটে আওয়ামী লীগের পরাজয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্থাশীল আওয়ামী লীগকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্ষমতায় থেকে সৃষ্টি হওয়া ‘আওয়ামী লীগের’ শক্তির কথা।

আওয়ামী লীগের আরেক সভাপতিমন্ডলীর সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ভেতরে সৃষ্টি হওয়া ‘আওয়ামী লীগের’ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা, আওয়ামী লীগকে ধরাশায়ী করার ক্ষমতা তাদের আছে, সেটা বুঝিয়ে দিয়েছেন দলটির বহিষ্কৃত নেতা জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ-অধ্যুষিত গাজীপুরে ‘জাহাঙ্গীর লীগ’ বড় ফ্যাক্টর এখন। আজমতের মতো দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের নেতা কেবল নির্বাচনের সময় আলোচনায় আসা একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন, এটা স্বাভাবিক ঘটনা নয়।

ক্ষোভ প্রকাশ করে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান ফারুক দেশ রূপান্তরকে বলেন, শুধু গাজীপুরেই নয়, সারা দেশেই আওয়ামী লীগের চেয়ে আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে বেড়ে ওঠা ‘আওয়ামী লীগ’ আছে। সময় ও সুযোগ পেলে তারা দলের বিরুদ্ধে যাবে, শৃঙ্খলা নষ্ট করবে কখনো দলের অবস্থান বিরোধী বক্তব্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর আরেক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ১৫ বছর সুবিধাবাদী আওয়ামী লীগ চাপে ফেলে দিয়েছে ত্যাগী আওয়ামী লীগকে। ‘ব্যক্তি লীগ’কে শক্তিশালী করা নেতারা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগে যা চেয়েছেন, তা-ই পেয়েছেন। ফলে আদর্শিক নেতারা ঘরে ঢুকে গেছেন, তেমন কর্মীরাও রাজনীতি ছেড়েছেন, মাঠ ছেড়েছেন।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমত উল্লা খানকে হারিয়ে নির্বাচিত মেয়র স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ ফলাফল মেনে নিয়েছে বলে জানান তিনি। গতকাল শুক্রবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে দলের পক্ষ থেকে এসব কথা বলেন তিনি।

গাজীপুরের নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা টিমের সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। তাতে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন। আমরা সেই পরাজয় মেনে নিয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘খুব শিগগির দলের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় নির্বাচন নিয়ে পর্যালোচনা হবে। পরে বলব পরাজয়ের কারণ।’

গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে টেবিল ঘড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন ১৬ হাজার ১৯৭ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমতউল্লা খানকে পরাজিত করেছেন। এই প্রথম নারী মেয়র পেল গাজীপুর সিটি। এর আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে সেলিনা হায়াত আইভী দেশের প্রথম নারী মেয়র নির্বাচিত হন।

আমাদের গাজীপুর প্রতিনিধি মো. আমিনুল ইসলাম স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের পরাজয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুনের জয়ের কারণ নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে গতকাল সারা দিনই আলোচনা হয়েছে। তাদের আলোচনা থেকে আওয়ামী প্রার্থীর পরাজয়ের ১০টি কারণ জানা গেছে।

নগরবাসী বলছেন, নৌকা জয়লাভ করবেই এমন অতি আত্মবিশ^াস, প্রতিপক্ষ প্রার্থী ও তার কর্মীদের ওপর হামলা-নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন, শঙ্কায় ভোটারদের কম উপস্থিতি, নৌকার নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভক্তি, আজমতউল্লা খানের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কম থাকা, মিডিয়ার সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা, প্রতিপক্ষের এজেন্ট ও কর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশের হানা দেওয়া, প্রতিপক্ষের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার-প্রচারণা এবং শ্রমিক, আলেম-ওলামাদের ভোট টানতে না পারাকেই বেশি দায়ী করেছেন তারা।

জয়দেবপুর শহরের বাসিন্দা চাকরিজীবী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘উন্নয়নকে মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না। আর প্রতিপক্ষকে নির্যাতন করে নিজেদের ভোট বাড়ানো যায় না। বলপ্রয়োগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জনসমর্থন বাড়ে না, বরং কমে। এ নির্বাচনে মানুষ তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে। দুঃসময়েও নেতাকে কর্মীর পাশে আর কর্মীদেরও নেতার পাশে থাকতে হয়।’

অন্যদিকে টেবিল ঘড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুনের জয়লাভের জন্য সাত কারণকে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয় লোকজন। এর মধ্যে রয়েছে জায়েদা খাতুনের ছেলে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের জনপ্রিয়তা, তার নামে মামলা ও অপপ্রচার, তিন বছর মেয়র থাকাকালে নগরীতে ব্যাপক উন্নয়ন, দলে না থেকেও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সব সময় সুসম্পর্ক রাখা, জায়েদা খাতুনের প্রতি নারীদের ভালোবাসা, কৌশলী নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, প্রতিপক্ষের হামলার ঘটনায় ভোটারদের সহানুভূতি পাওয়া।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জাহাঙ্গীর আলম প্রথমবার দল থেকে বহিষ্কার হওয়ার পর তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কারণে দলের দুই শতাধিক সিনিয়র নেতাকে শোকজ করা হয়। এরপর দ্বিতীয় দফা বহিষ্কারের পর ফের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কিছু নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এতে দলের ক্ষুব্ধ একটি অংশ পর্দার আড়ালে জাহাঙ্গীর আলমের মায়ের পক্ষে কাজ করেছেন।’

সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পরাজয়ের কারণ জানতে চাইলে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল্যাহ মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘দলীয় ফোরামে আলোচনা করে খোঁজখবর নিয়ে এ বিষয়ে মন্তব্য করব।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত