বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই সরকারের শুভবুদ্ধি উদয় হওয়ার আর কোনো রকমের সম্ভাবনা নেই। জনগণ অবশ্যই তাদের অধিকার আদায় করে নেবে এবং আগামী দিনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে।
গতকাল মঙ্গলবার সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে দলটি। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, পোস্টার প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ, কালো পতাকা উত্তোলন, সংবাদপত্রে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, জিয়ার কবরে ফুল দেওয়া ও ফাতেহা পাঠ, দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্রসামগ্রী বিতরণ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনা ইত্যাদি কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নেতাকর্মীরা। পুষ্পমাল্য অর্পণের পর প্রয়াত নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনায় কবর প্রাঙ্গণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হয়। সকাল ১১টায় শেরে বাংলা নগরে সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদকে দেওয়া ৯ বছর ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখাকে জাতীয় নির্বাচনের ‘ফরমায়েশি’ রায় বলেও অভিযোগ করে বলেন, এই মামলাগুলোর রায় থেকে বোঝা যায়, সরকার সম্পূর্ণ রাষ্ট্রযন্ত্রকে দখল করে নিয়েছে। বিচারব্যবস্থাকে দখল করে ফরমায়েশি রায়ের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের কারাগারে পাঠিয়ে আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে চায়। সেটা সম্ভব নয়। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তারা (আওয়ামী লীগ সরকার) সে চেষ্টা করছে। রায় দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না।
এ সময় অন্যদের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুবদলের সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
