‘বেসরকারি খাত না এলে সরকারিভাবে মাছ ধরার ব্যবস্থা’

আপডেট : ১১ জুন ২০২৩, ০১:০২ এএম

দেশের অপার সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে মৎস্য খাত অন্যতম। এ খাতকে এগিয়ে নিতে অনেককেই গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা মাছ না ধরে বারবার লাইসেন্সের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করছেন। মৎস্য খাতকে এগিয়ে নিতে বেসরকারি খাত এগিয়ে না এলে সরকারিভাবেই সমুদ্রের মাছ ধরার ব্যবস্থা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। গতকাল শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকুয়াকালচার অ্যান্ড সি ফুড শো ২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত অবহিতকরণ কর্মশালা ও প্রেস মিটে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

রেজাউল করিম বলেন, সমুদ্রের টুনা ফিশসহ বেশি কিছু মাছ বিদেশে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। এজন্যই আমরা বিভিন্ন ব্যক্তিদের লাইসেন্স দিয়েছি। তারা যদি কাজ না করে সরকারিভাবেই জাহাজ ব্যবস্থা করে আমরা মাছ ধরার ব্যবস্থা করব।

তিনি বলেন, এমন একটি সুন্দর ও প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা উত্তরকালে অন্যান্য সম্পদের পাশাপাশি মৎস্য-সম্পদের কথা বলেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। আজকে বাস্তবতা সেখানে এসে পৌঁছেছে। সামনে আমাদের অপার সম্ভাবনাময় খাত হচ্ছে মৎস্য। এ খাত এগিয়ে যেতে হলে সরকারি-বেসরকারি খাত সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, এখানে জার্মানি, স্পেনসহ অন্যান্য দেশের মাছ আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা আসবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। তাদের কাছে আমাদের মৎস্য খাতের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরতে হবে। মাঠপর্যায়ে তাদের কাজ করার সুযোগ ও ক্ষেত্র তুলে ধরতে হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত