পরিবেশ ধ্বংসকারীকে সামাজিকভাবে বয়কট করুন

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২৩, ১০:২৬ পিএম

স্বাধীনতার ৫২ বছরের এক গর্বিত স্বপ্নময় বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে আজ আমাদের চারপাশের পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতির দিকে তাকালে আমরা কী দেখতে পাই? এক রুগ্ণ, শীর্ণ, আহত এবং উন্নয়নের আঘাতে রক্তাক্ত এক পরিবেশ-প্রকৃতি। আমরা বারবার দেখি যেকোনো উন্নয়নের প্রথম কোপটা পড়ে গাছ, নদী, বনভূমি, কৃষিজমি, জলাভূমি, পাহাড় কিংবা প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর। প্রশ্নহীনভাবে দেশের সবুজবলয়, উন্মুক্ত প্রান্তর আর জলাভূমি আজ নিশ্চিহ্ন। নির্বিচার দখল ও দূষণে আক্রান্ত পরিবেশ। এখনো কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের মূলশক্তি আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ। আমাদের মৌলিক চাহিদা থেকে শুরু করে বাঁচার অক্সিজেন কিংবা সংস্কৃতির জোগান সবই আসে চারপাশের পরিবেশ-প্রকৃতি থেকে। আমাদের জীবন-জীবিকা, অর্থনীতি ও জাতীয় উন্নয়নে পরিবেশের অবদানই সবচেয়ে বেশি। কিন্তু আমরা সেই অবদান কখনোই মনে রাখছি না। স্বীকৃতি ও সুরক্ষা দিচ্ছি না। পরিবেশ আমাদের কাছে এক তীব্রভাবে পেছনে রাখা অবহেলিত অস্বীকৃত খাত। কিন্তু পরিবেশ সুস্থ না থাকলে মানুষসহ কোনো প্রাণসত্তাই সুস্থ থাকতে পারে না। পরিবেশ না বাঁচলে আমরা কেউই বেঁচে থাকতে পারব না। দেশে গত বায়ান্ন বছরে মানুষের সংখ্যা তরতর করে বেড়েছে। কিন্তু কমেছে নদী, পাহাড়, বন, গাছ ও বন্যপ্রাণীর সংখ্যা। গ্রামের পর গ্রাম সবুজ ধানক্ষেত আর পাটের জমিন হত্যা করেছে, বেড়েছে অপরিকল্পিত নগরায়ণ। আমরা হারিয়েছি তিনটি ঋতুর বৈচিত্র্য। ক্যানসারসহ জটিল অসুখ নিত্য বাড়ছে গ্রাম কী শহরে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বেড়েছে লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড়, উত্তরাঞ্চলে দাবদাহ ও খরা, উত্তর-পূর্বে পাহাড়ি ঢল, মধ্যাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী বন্যা, পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ধস, দেশজুড়ে নদীভাঙন, বজ্রপাত, অগ্নিকা-, রাসায়নিক বিস্ফোরণ, জলাবদ্ধতা এবং প্লাস্টিক দূষণ। প্রাণ-প্রকৃতি পরিবেশ সুরক্ষায় আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে এবং অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। উন্নয়নের নামে পরিবেশ ধ্বংস বন্ধ করতে হবে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে। পরিবেশ ধ্বংসের কোনো ঘটনাকে ছাড় দেওয়া যাবে না। পাহাড় কাটা কিংবা নদী দখল বন্ধ কিংবা বন সুরক্ষা নিয়ে দেশে সুস্পষ্ট আইন আছে। কিন্তু বিস্ময় ও ক্ষোভ নিয়ে আমরা দেখছি নানাভাবে পরিবেশ দখলকারীরা ছাড় পেয়ে যায়। পরিবেশ ধ্বংসকারীকে আজ সামাজিকভাবেই বয়কট করতে হবে। মানুষ হিসেবে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে প্রাণ-প্রকৃতির ওপর সব নৃশংসতা রুখে দিয়ে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

আয়তনে ছোট হলেও বাংলাদেশ প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে অনন্য। ২৩০টি নদী, ৩০টি কৃষিপ্রতিবেশ অঞ্চল, ১৭টি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চল, বাংলা বাঘ-বাংলা শকুন-চামচ ঠুঁটো বাটান পাখি এবং ইরাবতী ডলফিনের বৃহৎ বিচরণ অঞ্চল কিংবা বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন ও সমুদ্রসৈকত এ দেশের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যকে বিশেষায়িত করেছে। পঞ্চাশের বেশি জাতিসত্তার ৪১টি মাতৃভাষা দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের গর্ব। কিন্তু উন্নয়নের নামে দেশের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বারবার হুমকির মুখে পড়ছে এবং বহু বন্যপ্রাণ হারিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বৃহৎ স্থলজ প্রাণী হিসেবে হাতি কিংবা ক্ষুদে পতঙ্গ হিসেবে মৌমাছি সবই হুমকিতে আছে। গত বিশ বছরে ৩৩টি হাতি হত্যা করা হয়েছে। কৃষিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক বিষ প্রশ্নহীনভাবে মৌমাছিদের খুন করছে। সাম্প্রতিক এক উদ্ভিদ জরিপে দেখা গেছে, ৩৯ ভাগ উদ্ভিদই বিপদাপন্ন। দেশের বহু এলাকায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ নানা সময়ে উন্নয়নের নামে গাছ কাটা অব্যাহত রেখেছে। ঢাকার ধানমন্ডি সাতমসজিদ সড়কে ‘সৌন্দর্যবর্ধনের’ নামে সড়ক বিভাজকের সুস্থ, সবল, সৌন্দর্যবর্ধনকারী এবং নগরের পরিবেশ সুরক্ষায় অবদান রাখা কয়েকশত দেশীয় প্রজাতির গাছ কেটেছে সিটি করপোরেশন। স্থানীয় সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে যদি এভাবে গাছ কাটা চলতে থাকে তবে দেশের বৃক্ষ ও প্রাণপ্রজাতি কীভাবে সুরক্ষিত হবে? সরকারি দপ্তরগুলো ছাড়াও এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়সহ আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও অপরিকল্পিত উন্নয়নের নামে নির্বিচার গাছ কাটা হচ্ছে এবং স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র বিনষ্ট করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় বৃহৎ উন্নয়ন অবকাঠামো, বাণিজ্যিক প্রকল্প কিংবা খননের নামে প্রথম কোপ পড়ে গাছের ওপর। এমনকি যশোর রোড কিংবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময় বৃক্ষদেরও উন্নয়নের করাতে জীবন দিতে হয়েছে। উপকূল, পাহাড়, সমতল, জলাবন, চর, বরেন্দ্র, শালবন কিংবা গ্রামীণ বনভূমি সর্বত্র গাছেরা আজ অনিরাপদ। তাহলে দেশের ২৫ ভাগ বনভূমি ও সবুজবলয় আমরা কীভাবে অর্জন করব? প্রতিদিন তপ্ত ও দূষিত হয়ে ওঠা দেশে কীভাবে বসবাস করব? জলবায়ু সংকটের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা ও দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের টিকে থাকার জন্য পর্যাপ্ত গাছ ও সবুজবলয় দরকার। কেন উন্নয়নের নামে বারবার পরিবেশ ধ্বংস করে দেশ ও দেশবাসীর জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলা হচ্ছে?

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদীরা আজ দখল ও দূষণে আক্রান্ত। নদীভরাট, শিল্প ও রাসায়নিক দূষণ, নদীদখল এবং উজানে বাঁধ ও বৃহৎ স্থাপনা নির্মাণ ক্রমে সব নদীর প্রবাহকে বিনষ্ট করছে। নদীর মতো দেশের পাহাড়গুলো আজ ভালো নেই। নির্বিচার পাহাড় কাটার ফলে চট্টগ্রাম ও সিলেটে পাহাড়ধসের ঘটনা বাড়ছে। ছড়া-পাহাড় ও ঝিরি থেকে বালু ও পাথর উত্তোলনের নামে দেশের সীমান্তবর্তী বাস্তুতন্ত্রগুলো আজ ছিন্ন ভিন্ন। দেশের ছয় ভাগের এক ভাগ জুড়ে হাওরাঞ্চল। এ ছাড়া দেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে থাকা বিল-বাঁওড়-ছড়া-ঝিরি কোনো জলাভূমিই আজ সুস্থ ও স্বকীয় সত্তায় বেঁচে নেই। জীবাশ্ম জ্বালানি অনুসন্ধান ও খনন প্রক্রিয়া দেশের বনভূমি এবং প্রাণবৈচিত্র্যসমৃদ্ধ অঞ্চলকে বিপন্ন করছে। মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকার কথা, কিন্তু দেশে মাত্র ১৫.৫৮ ভাগ বনভূমি আছে। এসব প্রাকৃতিক বনও আজ গভীর সংকটে আবর্তিত। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনভূমি সুন্দরবন নিজের জীবন দিয়ে দেশকে ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে বাঁচালেও আমরা এই বনের প্রতি দায়িত্বশীল নই। রামপাল তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প, শিল্পকারখানা দূষণ কিংবা প্লাস্টিক দূষণে আজ এই বন আক্রান্ত। রেমা-কালেঙ্গা, রাজকান্দি, লাউয়াছড়া, মধুপুর শালবন, ভাওয়াল শালবন, পাথারিয়া বনগুলো প্রশ্নহীন অগ্নিকা-ে বারবার পুড়েছে। উপকূলীয় গর্জন বন, উপকূল চরের ম্যানগ্রোভ বন আজ দখল এবং বৃক্ষশূন্য হয়ে পড়ছে। ইকোপার্ক প্রকল্প, বৃহৎ স্থাপনা নির্মাণ, সড়কপথ, বাণিজ্যিক প্রকল্প, বাণিজ্যিক পর্যটন কিংবা নগরায়ণের নামে প্রাকৃতিক বনভূমির সর্বনাশ ঘটছে।

দেশে প্রতি বছর এক শতাংশ হারে কৃষিজমি কমছে। কৃষিজমি কমার পাশাপাশি গোপাট, চারণভূমি এবং গ্রামাঞ্চলে উন্মুক্ত প্রান্তর হ্রাস পেয়েছে। লাগাতার ইটভাটা ও ঝুঁকিপূর্ণ শিল্পকারখানার দূষণে মাটি-বাতাস ও পানি আক্রান্ত হচ্ছে। লাগাতার ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর নগর হয়ে উঠেছে। চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডুদু, ঢাকার নিমতলীসহ বহুবার দেশে রাসায়নিক বিস্ফোরণ এবং বিজজ্জনক অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। কৃষিক্ষেত্রে বিপজ্জনক রাসায়নিকের ব্যবহার থেকে শুরু করে খাদ্য উৎপাদনের সব স্তর এখনো রাসায়নিকমুক্ত না হওয়ায় আমাদের খাদ্য এখনো নিরাপদ হয়ে ওঠেনি। যার ফলে মানুষসহ সব প্রাণসত্তার স্বাস্থ্যহানি ও জটিল কঠিন রোগবালাই বাড়ছে। দেশে এখনো সুষ্ঠু পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে ওঠেনি। বিপজ্জনক বর্জ্যস্তূপ নানা রোগবালাই এবং দূষণ ঘটাচ্ছে। বাংলাদেশে প্রতি বছর ১০ লাখ ৯৫ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপাদিত হয়। কঠিন বর্জ্যরে দশ ভাগই প্লাস্টিক। পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদীর মাধ্যমে প্রায় ৭৩ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য বঙ্গোপসাগরে মেশে। প্লাস্টিক দূষণের পাশাপাশি ডিজিটাল বর্জ্য আজ দেশের জন্য আরেক অশনি সংকেত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বৃক্ষ-পরিবেশ-প্রকৃতি সুরক্ষায় সংবিধান, বৈশ্বিক সনদ ও দেশের আইন-নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ। সংবিধানের ১৮(ক) ধারায় উল্লেখ আছে, ‘রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন’। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য সনদ ১৯৯২, রামসার ঘোষণা, সাইটেস সনদ, প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কিংবা ২০২১ সালে গ্লাসগো সম্মেলনে গৃহীত বিশ্বের বৃক্ষ ও বন সুরক্ষা নীতি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ পরিবেশ ও বৃক্ষ সুরক্ষায় বৈশ্বিক অঙ্গীকার করেছে। কিন্তু উন্নয়নের নামে বারবার দেশের পরিবেশ-প্রাণ-প্রকৃতি বিনষ্ট করে বাংলাদেশ জাতীয় ও বৈশ্বিক অঙ্গীকার ভঙ্গ করছে। এর ফলে পরিবেশগতভাবে দেশ আরও ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। এখনই ঘুরে না দাঁড়ালে আমাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে বাধ্য।

পরিবেশ-বিপর্যস্ত সংকট থেকে মুক্তির জন্য বারবার আমাদের জাতীয় সংগীতের মর্মবাণীকে বুকের গভীর থেকে জাগানো জরুরি। কী শোভা কী ছায়া গো, কী স্নেœহ কী মায়াগো, কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে...। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম আজ কীভাবে এই মর্ম নিজের বুকে ধারণ করবে? উন্নয়নের নামে দেশের সব বটের মূল কেটে ফেলা হচ্ছে, দখল-দূষণে আক্রান্ত নদীর কূল, শিশুদের চারপাশ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে সবুজ মাঠের মায়া এবং প্রকৃতির স্নেহমাখা ছায়া। কীভাবে আজকের প্রজন্ম একজন সুস্থ সবল প্রকৃতিপ্রেমী নাগরিক হিসেবে দেশপ্রেমকে চেতনায় জাগিয়ে বড় হবে? প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশের বৈচিত্র্যময় স্পর্শ ছাড়া কী দেশপ্রেম গড়ে ওঠে? মানুষ, সমাজ, রাষ্ট্র এবং সকলের প্রাণের প্রতি দায় ও দায়িত্ব গড়ে ওঠে? পরিবেশদূষণ এবং প্রাণ-প্রজাতির নির্মম হত্যাকা- প্রতিটি শিশুর মনে আজ এক গভীর ক্ষত ও দাগ তৈরি করছে। পরিবেশদূষণ, সামাজিক অন্যায়, ক্রোধ, হিংসা এবং দ্বন্দ্ব-সংঘাত বাড়িয়ে তোলে। তীব্র পরিবেশদূষণ এবং দুর্যোগ নানাভাবে সামাজিক সহিংসতা ও অস্থিরতা বাড়তে থাকে। সমাজে দুর্নীতি এবং অন্যায় বাড়তে থাকে। পরিবেশের সংকট কেবল পরিবেশগত সমস্যা নয়, এর সঙ্গে আমাদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিকাশ ও জাতীয় মুক্তি সবকিছুই সম্পর্কিত। তাই দুর্দশাগ্রস্ত প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশের পাশে আমাদের সবাইকে দাঁড়াতে হবে। নিজেদের দায় ও দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে। পরিবেশ মুক্তির এ লড়াই আমাদের এই পরিবেশ ও জলবায়ু সংকটাপন্ন সময়ের আরেক নতুন মুক্তিসংগ্রাম। গ্রাম থেকে নগর, পাহাড় থেকে সমতল, কৃষক থেকে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থী থেকে নীতিনির্ধারক, শিল্পী থেকে উদ্যোক্তা, শ্রমিক থেকে বিচারকÑ পরিবেশ সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হতে সবাইকে। পরিবেশ ধ্বংসকারী যেই হোক, বাংলাদেশের সবপ্রান্তের পরিবেশ-ধ্বংসকারীকে আসুন চিহ্নিত করে তাকে সামাজিকভাবে বয়কট করি। আমাদের সম্মিলিত শ্রম-ঘাম আর ভালোবাসায় জাগিয়ে রাখি আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশ।

লেখক: লেখক ও গবেষক

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত