দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের আর্থিক শিক্ষা বৃদ্ধি ও স্বনির্ভর করতে কার্ডের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করছে বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক। ইতিমধ্যে ২৫ হাজারের বেশি কৃষককে প্রায় ১১০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। চলতি বছরের শেষ ৫ মাসে আরও ৪০-৫০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে ব্যাংকটির। গতকাল সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানিয়েছেন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজাল।
তিনি বলেন, সঠিক সময়ে কৃষকদের যদি অর্থ সহায়তা দেওয়া যায় তাহলে দেশের কৃষি খাতে বিপ্লব সৃষ্টি হবে।
কৃষকরা কাগজপত্র জমা দেওয়ার ঝামেলার কারণে ব্যাংকে আসতে চান না। এজন্য এবি ব্যাংক কৃষিঋণ বিতরণে সব কাগজপত্র অ্যাপের মাধ্যমে জমা নিচ্ছে। পাশাপাশি ঋণ বিতরণ করছে কার্ডের মাধ্যমে। গ্রাহকের সক্ষমতা অনুযায়ী ওইসব কার্ডে লিমিট দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহক তাদের যেই পরিমাণ অর্থ দরকার তা কার্ড থেকে উত্তোলন করছেন। এতে গ্রাহক যেই পরিমাণ টাকা উত্তোলন করছেন সেই অনুযায়ীই সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। কোনো গ্রাহক যদি তার ঋণ পরিশোধ করে আবারও ঋণের আবেদন করেন, তাহলে ওই কার্ড আবারও ওপেন করে দেওয়া হচ্ছে। এতে এক কার্ডের মাধ্যমেই তারা ঋণ গ্রহণ করতে পারছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা বড় বড় গ্রাহকদের শত শত কোটি টাকার ঋণ দিই। অনেক সময় ওই গ্রাহক টাকা ফেরত না দিয়ে পালিয়ে যান। টাকা পাচার করেন। এতে ব্যাংকের পাশাপাশি দেশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু কৃষকদের যদি আমরা ঋণ দিই ওই টাকা খেলাপি হওয়ার সম্ভাবনা কম। কেউ যদি খেলাপিও হয়ে যান তাহলে তিনি অন্তত টাকা পাচার করবেন না। আর এসব ঋণ পরিমাণে কম হওয়ায় ব্যাংকও বড় ধরনের সমস্যায় পড়বে না। তাই ব্যাংককে শক্তিশালী করতে ও দেশের কৃষি খাতকে সমৃদ্ধ করতে সব ব্যাংককেই কৃষিঋণ বিতরণে এগিয়ে আসা উচিত।
