যুক্তরাষ্ট্রের সুরক্ষায় ৭ এআই কোম্পানি

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২৩, ১১:০১ পিএম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষার অঙ্গীকার করেছে এ খাতের সাত শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি। স্থানীয় সময় গত শুক্রবার আমাজন, অ্যানথ্রপিক, গুগল, ইনফেকশন, মেটা, মাইক্রোসফট এবং ওপেনএআইয়ের মুখপাত্রদের নিয়ে এমন ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তার আগে উভয় পক্ষই এ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই করে। বিবিসি বলছে, এআই প্রযুক্তির সক্ষমতা নিয়ে বেশ কয়েকবার সতর্কবার্তা আসার পরপরই এমন একটি ঘোষণা এলো। এই অঙ্গীকারের মধ্যে আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা পরীক্ষা করা এবং এর ফলাফল পরে জনসম্মুখে প্রকাশ করা। স্বাক্ষরিত চুক্তির অংশ হিসেবে কোম্পানিগুলো যেসব শর্তে একমত হয়েছে, সেগুলো হলোÑ কোনো এআই ব্যবস্থা উন্মোচনের আগে কোম্পানির ভেতরের ও বাইরের বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে এর নিরাপত্তা পরীক্ষা করা। লোকজন যেন জলছাপ দেখে এআইয়ের তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করা। এআইয়ের সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা। এবং পক্ষপাত, বৈষম্য ও প্রাইভেসি লঙ্ঘনের মতো ঝুঁকি নিয়ে গবেষণা করা।

হোয়াইট হাউজ বলছে, তাদের লক্ষ্যমাত্রা হলো মানুষ যেন সহজেই বুঝতে পারে যে কোনো অনলাইন কনটেন্টগুলো এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, বিভিন্ন কোম্পানি যে গতিতে এআইয়ের বিকাশ ঘটাচ্ছে, তার ফলে ভুল তথ্য ছড়ানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এমন ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করে বাইডেন বলেন, আমাদের গণতন্ত্র ও মূল্যবোধের জন্য উদীয়মান প্রযুক্তিগুলোর সম্ভাব্য হুমকির ওপর পরিষ্কার দৃষ্টি রাখার পাশাপাশি সেটি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আর সেটা আমাদের সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

এক বিবৃতিতে বাইডেন প্রশাসন জানিয়েছে, এ বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশ নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউজ বলছে, এআই প্রযুক্তির বিকাশ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক ফ্রেমওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারা মিত্র দেশগুলোর সঙ্গেও কাজ করবে। তা না হলে এই প্রযুক্তি নিয়ে তৈরি শঙ্কাগুলোর মধ্যে ভুল তথ্য তৈরি করে সমাজের ভারসাম্য নষ্ট করার ঝুঁকি রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত