বিএনপির আয় বেড়েছে পাঁচ গুণ ব্যয়ও বেড়েছে

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৩, ০৩:০০ এএম

নির্বাচন কমিশনের পঞ্জিকা বছর (জুলাই থেকে জুন) হিসেবে এক বছরে বিএনপির আয় প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে ব্যয়ও। গতকাল রবিবার নির্বাচন কমিশনে দেওয়া দলটির আয়-ব্যয়ের হিসাব থেকে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

২০২২ পঞ্জিকা বছরে বিএনপির আয় হয়েছে ৫ কোটি ৯২ লাখ ৪ হাজার ৬৩২ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৩৩ হাজার ৮০৩ টাকা। নিট আয় হয়েছে ২ কোটি ৩ লাখ ৭০ হাজার ৮২৯ টাকা।

অন্যদিকে ২০২১ পঞ্জিকা সালে দলটির আয় ছিল ৮৪ লাখ ১২ হাজার ৪৪৪ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৪৭ হাজার ১৭১ টাকা। ঘাটতি ছিল ১ কোটি ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭২৭ টাকা। গতকাল বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলমের কাছে দলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেন।

হিসাব জমা দেওয়ার পর রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, জাতীয় নির্বাহী ও স্থায়ী কমিটির সদস্যদের চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান এবং ব্যাংকের এফডিআরের অর্জিত মুনাফা থেকে এ আয় হয়েছে। আর অফিসের বিভিন্ন খরচ, পোস্টার-লিফলেট ছাপানো, বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র বাবদ খরচ, বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণ, নেতাকর্মীদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা, ইফতার মাহফিল ও বিবিধ খাতে ব্যয় হয়েছে।

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে জানা গেছে, ২০১৩ পঞ্জিকা বছরে দলটির আয় ছিল ৭৬ লাখ ৫ হাজার ৭৬২ টাকা। আয়ের বিপরীতে ব্যয় হয়েছিল ২ কোটি ২৭ লাখ ২৫ হাজার ৩২৬ টাকা। সে সময় ঘাটতি ছিল প্রায় দেড় কোটি টাকা। এরপর ২০১৫ সাল পর্যন্ত ক্রমেই দলটির আয় বাড়লেও ঘাটতি ছিল বেশি।

তবে ২০১৬ সাল থেকে ঘাটতি কমে আসে। এ সময় বার্ষিক আয় কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। বাড়তে থাকে উদ্বৃত্ত তহবিল। এরপর করোনাকালে ফের আয়ে ধস নামে। ২০১৯ সালে আয় হয় ৮৭ লাখ টাকা, ২০২০ সালে সোয়া ১ কোটি টাকা।

প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে দাখিল করতে হয়। পরপর তিন বছর কোনো দল হিসাব না দিলে সে দলের নিবন্ধন বাতিল করার বিধান রয়েছে। নিবন্ধিত ৪২টি দলের মধ্যে বেশ কটি দল ইতিমধ্যে হিসাব জমা দিয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত